aviation
প্রকাশিত: 3 October 2026, 12:02:05 Pm
অনলাইন সংস্করণ

২০২৭ সালের মধ্যে বহরে যুক্ত হবে আরও ২১ উড়োজাহাজ, ইউএস-বাংলার নজর ইউরোপ-উত্তর আমেরিকায়

এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক

বাংলাদেশের বেসরকারি এভিয়েশন খাতে বড় ধরনের বহর সম্প্রসারণের পথে এগোচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ ২১টি Boeing উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে থাকবে ১৫টি Boeing 737-8 এবং ছয়টি Boeing 737-800। একই সঙ্গে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও সামনে এনেছে এয়ারলাইনটি।

প্রতিষ্ঠার ১২ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে প্রথমে বহর ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তুলে ধরে ইউএস-বাংলা। পরে ২৯ জুলাই ঢাকায় ‘Beyond with Boeing’ অনুষ্ঠানে ২১টি Boeing উড়োজাহাজ যুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। উড়োজাহাজগুলো ধাপে ধাপে ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সরবরাহের কথা রয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই fleet expansion programme-এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং উড়োজাহাজগুলো leasing arrangement-এর মাধ্যমে বহরে যুক্ত হওয়ার কথা।

১৫টি 737-8, সঙ্গে ছয়টি 737-800

নতুন ২১টি aircraft-এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ হচ্ছে Boeing 737-8। এই মডেলের ১৫টি উড়োজাহাজ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ইউএস-বাংলা।

এর সঙ্গে যুক্ত হবে আরও ছয়টি Boeing 737-800।

737-8 হচ্ছে Boeing 737 MAX family-এর একটি narrow-body aircraft। তুলনামূলক দীর্ঘ range এবং উন্নত fuel efficiency থাকায় regional ও medium-haul international network সম্প্রসারণে এই aircraft ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে Boeing 737-800 ইতোমধ্যে ইউএস-বাংলার fleet-এ রয়েছে। ফলে একই aircraft family-এর বড় বহর তৈরি হলে pilot training, engineering support, spare parts planning এবং operational standardisation-এর ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

তবে নতুন aircraft বহরে যুক্ত হওয়ার পর কোন model ঠিক কোন route-এ ব্যবহার করা হবে, সেটি passenger demand, range, airport requirement ও airline-এর commercial planning-এর ওপর নির্ভর করবে।

বর্তমানে বহরে ২৫ উড়োজাহাজ

ইউএস-বাংলা ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই Dash 8-Q400 দিয়ে ঢাকা-যশোর route-এ commercial operation শুরু করে। ১২ বছর পর প্রতিষ্ঠানটির fleet বেড়ে ২৫টিতে পৌঁছেছে।

বর্তমান fleet-এর মধ্যে রয়েছে তিনটি Airbus A330-300, নয়টি Boeing 737-800 এবং দশটি ATR 72-600।

Wide-body Airbus A330 মূলত বেশি যাত্রী ও তুলনামূলক দীর্ঘ international sector পরিচালনায় সক্ষম। Boeing 737-800 international ও regional network-এ এবং ATR 72-600 domestic ও short-haul operation-এর জন্য উপযোগী।

এই mixed fleet-এর সঙ্গে নতুন 737-8 ও 737-800 যুক্ত হলে ইউএস-বাংলার narrow-body international capacity উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

তবে বর্তমান ২৫টির সঙ্গে নতুন ২১টি সরাসরি যোগ করে ভবিষ্যৎ fleet ৪৬টি হবে—এমনটি এখনই নিশ্চিত করে বলা ঠিক হবে না। কারণ ২০২৭ সালের মধ্যে বর্তমান fleet-এর কোনো aircraft lease return, retirement বা replacement হবে কি না, তার ওপর প্রকৃত fleet size নির্ভর করবে।

কাঠমান্ডুসহ নতুন রুটের বড় তালিকা

বহর সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক network বড় করার পরিকল্পনাও জানিয়েছে ইউএস-বাংলা।

প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত নতুন গন্তব্যের মধ্যে রয়েছে ভারতের বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ, শ্রীলঙ্কার কলম্বো, নেপালের কাঠমান্ডু, চীনের কুনমিং, শেনঝেন ও বেইজিং, মালয়েশিয়ার জহর বাহরু ও পেনাং, মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা, দাম্মাম ও সালালাহ এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিভিন্ন গন্তব্য।

এগুলোর মধ্যে Kathmandu ইউএস-বাংলার জন্য একেবারে নতুন destination নয়।

২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকা-কাঠমান্ডু route দিয়েই airlineটি প্রথম international operation শুরু করেছিল। ফলে Kathmandu service চালু হলে সেটি হবে পুরোনো একটি আন্তর্জাতিক route-এ প্রত্যাবর্তন।

তবে নতুন route-গুলোর ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ঘোষণা এবং commercial flight শুরু—দুটিকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। Bilateral traffic rights, regulatory approval, airport slot, aircraft availability ও commercial viability-এর মতো বিষয় সম্পন্ন হওয়ার পরই নির্দিষ্ট route-এর চূড়ান্ত launch date নিশ্চিত হয়।

প্রবাসী বাজারে বিশেষ নজর

ইউএস-বাংলার পরিকল্পিত destination তালিকায় মধ্যপ্রাচ্যের উপস্থিতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা ও দাম্মামের মতো গন্তব্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীর যাতায়াত রয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমানের বিভিন্ন destination-এ ইতোমধ্যে ইউএস-বাংলার উপস্থিতি রয়েছে।

নতুন Middle East route চালু হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য direct flight option বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি carrier হিসেবে বড় একটি international passenger market-এ নিজেদের অংশ বাড়ানোর সুযোগ পাবে ইউএস-বাংলা।

তবে নতুন airline বা অতিরিক্ত capacity এলেই airfare কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। ভাড়া নির্ভর করে demand, season, fuel cost, airport charge, competition এবং airline-এর revenue management-এর মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।

মালয়েশিয়ায় কুয়ালালামপুরের বাইরে সম্প্রসারণ

বর্তমানে ইউএস-বাংলা ঢাকা-কুয়ালালামপুর route-এ flight পরিচালনা করছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মালয়েশিয়ার আরও দুটি শহর—জহর বাহরু ও পেনাং—রয়েছে।

এটি বাস্তবায়িত হলে Malaysia market-এ airlineটির network শুধু Kuala Lumpur-কেন্দ্রিক থাকবে না।

বিশেষ করে শ্রমবাজার, ব্যবসা, শিক্ষা ও পর্যটনের কারণে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া air travel market গুরুত্বপূর্ণ। Kuala Lumpur-এর বাইরে direct connectivity তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে যাতায়াতকারী যাত্রীদের domestic connection বা দীর্ঘ surface journey-এর প্রয়োজন কমতে পারে।

চীনে গুয়াংজুর বাইরে আরও তিন শহরের পরিকল্পনা

ইউএস-বাংলা বর্তমানে চীনের Guangzhou-তে flight পরিচালনা করছে। নতুন expansion roadmap-এ Kunming, Shenzhen ও Beijing-ও রয়েছে।

বাংলাদেশ-চীন route শুধু leisure passenger-এর ওপর নির্ভরশীল নয়। ব্যবসা, manufacturing supply chain, শিক্ষা এবং corporate travel-এরও বড় ভূমিকা রয়েছে।

বিশেষ করে Shenzhen ও Guangzhou দক্ষিণ চীনের গুরুত্বপূর্ণ commercial centre হওয়ায় business traffic-এর ক্ষেত্রে network expansion-এর সুযোগ রয়েছে।

তবে চীনের নতুন route-গুলো চালু করতে প্রয়োজনীয় traffic rights, regulatory approval এবং airport slot নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৭ সালের লক্ষ্য আরও বড়

ইউএস-বাংলার সম্প্রসারণ শুধু কয়েকটি নতুন route-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২০টি দেশে ৩০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে network সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।

বর্তমানে airlineটি দেশি ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে প্রায় ২০টি destination-এ সেবা দিচ্ছে। ১২ বছর পূর্তির সময় প্রতিষ্ঠানটি ২৫টি aircraft নিয়ে operation পরিচালনার তথ্য জানিয়েছিল।

নতুন ২১টি Boeing induction সেই international expansion-এর জন্য প্রয়োজনীয় seat capacity তৈরির বড় অংশ হতে পারে।

এরপর লক্ষ্য ইউরোপ

Asian ও Middle Eastern network সম্প্রসারণের পর ইউএস-বাংলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছে Europe।

প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সালের মধ্যে London ও Rome-সহ ইউরোপের গন্তব্যে flight চালুর লক্ষ্য জানিয়েছে। এরপর ২০৩০ সালের মধ্যে New York, Toronto এবং Sydney-তে operation সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে।

তবে এগুলো এখনো future target, নিশ্চিত launch schedule নয়।

বিশেষ করে Europe, North America ও Australia-এর মতো long-haul market-এ operation শুরু করতে উপযুক্ত wide-body fleet, bilateral rights, regulatory approval, airport slot, crew capability এবং দীর্ঘমেয়াদি route economics গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে ঘোষিত 737-8 ও 737-800 fleet মূলত narrow-body aircraft। তাই New York, Toronto বা Sydney-এর মতো ultra-long-haul destination-এর জন্য ভবিষ্যতে airlineটির wide-body fleet strategy-ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

২১টি aircraft মানে শুধু উড়োজাহাজ নয়

এত বড় fleet expansion-এর সঙ্গে manpower requirement-ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

একটি aircraft commercial operation-এ আনতে শুধু pilot ও cabin crew নয়—aircraft engineer, technician, dispatcher, ground operations personnel, safety and quality personnel এবং বিভিন্ন support team প্রয়োজন হয়।

নতুন aircraft type যুক্ত হলে type-rated pilot ও engineer তৈরির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

ইউএস-বাংলা প্রায় ২০০ বাংলাদেশি pilot-কে যুক্তরাষ্ট্রে advanced training-এর জন্য পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

ফলে ২১টি aircraft induction বাংলাদেশের aviation employment এবং skilled aviation manpower development-এর ক্ষেত্রেও নতুন চাহিদা তৈরি করতে পারে।

আধুনিক cabin-এ নতুন সুবিধার পরিকল্পনা

নতুন aircraftগুলোতে passenger experience-এর ক্ষেত্রেও আধুনিক কিছু সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইউএস-বাংলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন aircraft-এ larger overhead bin, modern cabin interior, in-seat power, wireless inflight entertainment এবং high-speed internet connectivity-এর মতো সুবিধা থাকার কথা রয়েছে।

এসব সুবিধা বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে দীর্ঘ international sector-এ passenger experience উন্নত হতে পারে।

তবে aircraft delivery-এর সময় final cabin configuration ও onboard service package কী থাকবে, সেটি airline-এর চূড়ান্ত specification-এর ওপর নির্ভর করবে।

বড় বহরের সঙ্গে বড় operational challenge

২১টি নতুন aircraft একটি airline-এর capacity দ্রুত বাড়াতে পারে। কিন্তু aircraft acquisition নিজেই expansion-এর শেষ ধাপ নয়।

নতুন route-এ sustainable passenger demand, পর্যাপ্ত trained crew, maintenance support, spare parts, airport slot, ground handling এবং schedule reliability নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

একই সঙ্গে fleet দ্রুত বাড়লে safety management system এবং operational oversight-কেও সেই অনুপাতে সম্প্রসারণ করতে হয়।

তাই ইউএস-বাংলার ঘোষিত expansion বাস্তবায়নের মূল পরীক্ষা হবে শুধু ২১টি aircraft delivery নয়—সেগুলোকে নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং commercially sustainable operation-এ কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।

আঞ্চলিক এয়ারলাইন থেকে বড় আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের পথে

২০১৪ সালে একটি domestic route দিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে পরবর্তী expansion-এর মূল কেন্দ্র international market।

১৫টি Boeing 737-8 ও ছয়টি 737-800 যুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে narrow-body capacity-তে এটি প্রতিষ্ঠানটির বড় পরিবর্তন হবে। একই সঙ্গে Kathmandu থেকে Kuwait, Bahrain, Madinah, Dammam, Colombo, Malaysia এবং East Asia পর্যন্ত নতুন route পরিকল্পনা airlineটির international footprint আরও বিস্তৃত করতে পারে।

এরপর London-Rome এবং দীর্ঘমেয়াদে New York-Toronto-Sydney-এর লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে ইউএস-বাংলার বর্তমান regional network আরও বড় long-haul network-এর দিকে এগোবে।

তবে প্রতিটি গন্তব্যের commercial launch নির্ভর করবে regulatory approval, aircraft availability এবং route viability-এর ওপর। তাই ঘোষিত destination-গুলোকে আপাতত পরিকল্পিত expansion roadmap হিসেবেই দেখা উচিত।

সূত্র: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহ আমানত বিমানবন্দর সম্প্রসারণে ২০৭০ সালের মাস্টারপ্ল্যান,

1

ঘটনা ঘটলেই সব দোষ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের? যাত্রী গ্রহণে এসে

2

এই সপ্তাহেই বেবিচকের বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, প্রায় ৯০০ পদে আবেদন

3

রোমে ২৮ ঘণ্টার বেশি আটকে বিমানের যাত্রীরা, চেয়ারে-মেঝেতে কাট

4

বেবিচকের বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, পদসংখ্যা প্রায় ৯০০; আবেদ

5

২০২৭ সালে বাণিজ্যিক উড়াল দিতে পারে ইরানের দেশীয় কার্গো বিমান

6

তৃতীয় টার্মিনালে অনুমোদনের বাইরে নির্মাণকাজের অভিযোগ, বেবিচক

7

প্রায় ৮ বছর পর সিলেটে বিদেশি এয়ারলাইন্স, মাস্কাট রুটে সালামএ

8

শাহজালালসহ দেশের কোনো বিমানবন্দরে নেই ‘ইঞ্জিন রান-আপ বে’, বা

9

দুবাই-আবুধাবিতে ফ্লাইটে বিলম্ব ও বাতিল, যাত্রীদের স্ট্যাটাস

10

৩২ বছর পর চালুর পথে কুমিল্লা বিমানবন্দর, প্রস্তুতি নিচ্ছে সর

11

বৈরী আবহাওয়ায় কাঠমান্ডুতে নামতে ব্যর্থ China Eastern-এর ফ্লা

12

ঢাকা বিমানবন্দরে ৭৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ দুজন আটক

13

আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন প্রবাসীরা

14

অক্টোবরে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানম

15

বিমানের বহরে আরও ২১ উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রস্তুতি

16

মান্দালয়ের বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বন্ধ সব ফ্লাইট

17

১৩ নভেম্বর থেকে ঢাকা–চেন্নাই রুটে সপ্তাহে ৫ ফ্লাইট চালাবে ইউ

18

যুক্তরাজ্যে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ত্রুটিতে ১৫০টির বেশি ফ্লাই

19

মিউনিখে রানওয়ে ছাড়িয়ে যাওয়া Vietnam Airlines-এর 787-এ টেকঅফে

20