এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় সাময়িক বিধিনিষেধ ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত এবং ট্রানজিট মিলিয়ে মোট ১৫৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে করে সৌদিগামী ও ফেরত আসা অন্তত ২২ হাজার ৬৩৬ জন যাত্রী মারাত্মক শিডিউল বিপর্যয় ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অপারেশনাল সীমাবদ্ধতার কারণে সরাসরি (ডাইরেক্ট) রুটে ৭৬টি এবং বিভিন্ন সংযোগকারী দেশের ট্রানজিট রুটে ৭৭টি ফ্লাইটের সময়সূচি ও কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
সরাসরি ফ্লাইট বিপর্যয়:
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সর্বোচ্চ ৩৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ২০টি, রিয়াদ এয়ারের ১৩টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইটের স্বাভাবিক পরিচালনা ব্যাহত হয়েছে। সরাসরি রুটে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটের মধ্যে বাংলাদেশি দুটি ক্যারিয়ারেরই মোট ৪৩টি ফ্লাইট রয়েছে।
ট্রানজিট ফ্লাইট পরিস্থিতি:
বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট ফ্লাইটের মাধ্যমে পরিচালিত ৭৭টি ফ্লাইটেও বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে। এর মধ্যে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের সর্বাধিক ৩০টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য ক্যারিয়ারের মধ্যে—
যাত্রী সহায়তায় সতর্কতা:
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে দ্রুত বিকল্প ফ্লাইট ও টিকেটিং সমন্বয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কল সেন্টার বা কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ সময়সূচি নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সূত্র: বেবিচক
মন্তব্য করুন