এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
আগুনের খবর পাওয়ার পর সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হ্যাঙ্গারে থাকা দুটি উড়োজাহাজ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আগুনের সূত্রপাতের পর বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করেন।
প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের সময় উড়োজাহাজ, যাত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অগ্রাধিকার পায়। সেই বিবেচনায় হ্যাঙ্গারে থাকা দুটি উড়োজাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কার্গো কমপ্লেক্সের ভেতরে স্কাই ক্যাপিটাল নামের একটি এয়ারলাইন্সের অফিস এলাকা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
তবে আগুনের প্রকৃত উৎস বা কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করার সুযোগ নেই।
বৈদ্যুতিক ত্রুটি, যন্ত্রপাতির সমস্যা কিংবা অন্য কোনো কারণে আগুন লেগেছে কি না, সেটিও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে বিভিন্ন ধরনের আমদানি-রপ্তানি পণ্য, সরঞ্জাম ও অপারেশনাল কার্যক্রম থাকায় এ ধরনের স্থাপনায় কার্যকর ফায়ার ডিটেকশন, দ্রুত অ্যালার্ম, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত নিরাপত্তা পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ।
এই ঘটনার কারণ নির্ধারণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন হতে পারে।
এ বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়ার পরই আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সূত্র: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র
মন্তব্য করুন