aviation
প্রকাশিত: 3 October 2026, 2:32:26 Pm
অনলাইন সংস্করণ

বারবার নিষেধ, তবু ভিড়; বাধা দিলেই হুমকি’, শাহজালালে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা

এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী ও বহির্গমন ক্যানোপিতে যাত্রীপ্রতি সর্বোচ্চ দুইজন স্বজন প্রবেশের নির্দেশনা জারির প্রায় দুই বছর পার হলেও মাঠপর্যায়ে তার কার্যকর বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। একজন যাত্রীকে বিদায় জানাতে বা গ্রহণ করতে চার-পাঁচজন, কখনো তারও বেশি মানুষ ক্যানোপিতে প্রবেশ করায় প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত ভিড়।

সম্প্রতি সরেজমিনে বিমানবন্দর ঘুরে আগমনী টার্মিনাল-২-এর ক্যানোপিতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়। আগত যাত্রীদের অপেক্ষায় গেটের সামনে শত শত মানুষ অবস্থান করায় কোনো কোনো সময়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার জায়গাও সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

একই চিত্র বহির্গমন ক্যানোপিতেও। যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার জন্য আসা গাড়ি থেকে একজন যাত্রীর পাশাপাশি একাধিক স্বজন নেমে ক্যানোপিতে অবস্থান করছেন।

অথচ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন আগত বা বহির্গামী যাত্রীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুইজন ব্যক্তি ক্যানোপি এলাকায় প্রবেশ করার কথা।

২০২৪ সালেই দেওয়া হয়েছিল নির্দেশনা

বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করে।

সেখানে বলা হয়, আগত ও বহির্গামী প্রতিটি যাত্রীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুইজন ব্যক্তি ক্যানোপিতে প্রবেশ করতে পারবেন।

যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখা, অপ্রয়োজনীয় জনসমাগম ও যানজট কমানো এবং বিমানবন্দর এলাকার নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

প্রয়োজনে বিশেষ পরিস্থিতিতে এই restriction আরও কঠোর করার কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ ছিল।

কিন্তু প্রায় দুই বছর পর সরেজমিনের পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, নিয়মটির প্রয়োগ ধারাবাহিক নয়।

একজন যাত্রীর সঙ্গে আসছেন চার-পাঁচজন

আগমনী এলাকায় দেখা যায়, বিদেশফেরত একজন যাত্রীকে নিতে পরিবারের একাধিক সদস্য একসঙ্গে অপেক্ষা করছেন।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি গাড়িতে আসা প্রায় সবাই ক্যানোপি এলাকায় প্রবেশ করছেন। একইভাবে বিদেশগামী যাত্রীকে বিদায় জানাতে পরিবারের সদস্য, আত্মীয় ও পরিচিতজন মিলিয়ে কয়েকজন একসঙ্গে আসছেন।

এর ফলে flight arrival-এর ব্যস্ত সময়ে আগমনী gate-এর সামনে মানুষের ঘনত্ব দ্রুত বাড়ছে।

একদিকে arriving passenger luggage trolley নিয়ে বের হচ্ছেন, অন্যদিকে অপেক্ষমাণ মানুষ সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। একই এলাকায় airport staff, trolley, passenger এবং স্বজনদের চলাচল হওয়ায় movement space সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

নিয়মের কথাই জানেন না অনেক যাত্রী

সৌদি আরবগামী যাত্রী আব্দুল আহাদ জানান, তাকে বিদায় জানাতে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশী মিলিয়ে কয়েকজন এক গাড়িতে বিমানবন্দরে এসেছেন।

যাত্রীপ্রতি সর্বোচ্চ দুইজন স্বজনের ক্যানোপিতে প্রবেশের নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোনো নির্দেশনার কথা তারা জানতেন না।

বিমানবন্দরে প্রবেশের সময়ও কেউ তাদের এ বিষয়ে কিছু বলেননি বলে জানান তিনি।

আরেক যাত্রী আশরাফুল একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান।

তার ভাষ্য, নিয়মটি আগে থেকে জানা থাকলে তারা সেটি মেনে চলতেন।

এই বক্তব্যগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—নির্দেশনা থাকলেও সেটি airport user-দের কাছে যথেষ্ট দৃশ্যমানভাবে পৌঁছাচ্ছে কি না।

শুধু নির্দেশনা দিলেই কি নিয়ম কার্যকর হয়?

Airport crowd management-এর ক্ষেত্রে কোনো restriction কার্যকর করতে হলে নিয়মটি যাত্রী ও visitors-এর কাছে সহজে দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন।

Airport approach road, vehicle entry point, parking area এবং canopy entrance-এ বড় ও স্পষ্ট signage থাকলে আগত ব্যক্তিরা আগে থেকেই restriction সম্পর্কে জানতে পারেন।

একই সঙ্গে public announcement, airline ticket/SMS notification, airport social media এবং digital display-তেও visitor limit নিয়মিত প্রচার করা যেতে পারে।

কারণ একজন যাত্রী airport-এ পৌঁছানোর পর প্রথমবার নিয়মটি জানতে পারলে তখন সঙ্গে আসা অতিরিক্ত স্বজনদের ফেরত পাঠানো বাস্তবে আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

মাঠপর্যায়ে বাধা দিলেও তৈরি হচ্ছে সমস্যা

বিমানবন্দরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিয়ম বাস্তবায়নের চেষ্টা করলেও অনেক ক্ষেত্রে যাত্রী ও তাদের স্বজনরা সহযোগিতা করেন না।

তার দাবি, অতিরিক্ত ব্যক্তিকে canopy-তে প্রবেশে বাধা দিলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অসৌজন্যমূলক আচরণ, হুমকি কিংবা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের।

ফলে মাঠপর্যায়ে নিয়মটি ধারাবাহিকভাবে enforce করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে ওই কর্মকর্তা দাবি করেন।

এটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য; এমন ঘটনা কতবার ঘটেছে বা এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক incident record রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পৃথক তথ্য পাওয়া যায়নি।

‘নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস. এম. রাগিব সামাদ জানিয়েছেন, অতিরিক্ত মানুষ যাতে canopy এলাকায় প্রবেশ না করেন, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়মিত প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তার ভাষ্য, “আমরা প্রতিনিয়ত সবাইকে সচেতন করছি। তারপরও অনেকেই নিয়ম মানছেন না। কেবল নির্দেশনা জারি করলেই হবে না, নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন না হলে এ ধরনের পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।”

অর্থাৎ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও canopy crowd-এর সমস্যাটি স্বীকার করছে এবং এর সমাধানে যাত্রী ও স্বজনদের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ক্যানোপি কেন সাধারণ অপেক্ষাস্থল নয়

Airport-এর arrival ও departure canopy সাধারণ public gathering area হিসেবে পরিকল্পিত নয়।

এই অংশ দিয়ে luggage trolleyসহ arriving passenger বের হন, departing passenger terminal-এ প্রবেশ করেন এবং vehicle থেকে passenger ওঠানামা করেন।

একই সঙ্গে airport staff, security personnel এবং বিভিন্ন operational service-এর চলাচলও থাকতে পারে।

ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মানুষ দীর্ঘ সময় সেখানে অবস্থান করলে passenger movement বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বিশেষ করে একই সময়ে একাধিক international flight পৌঁছালে কয়েকশ যাত্রীর সঙ্গে যদি প্রত্যেকের কয়েকজন করে স্বজন canopy-তে অপেক্ষা করেন, তাহলে crowd খুব দ্রুত বড় হয়ে উঠতে পারে।

একজন যাত্রীর সঙ্গে পাঁচজন এলে সংখ্যাটা কত হয়

সমস্যাটির scale একটি সাধারণ উদাহরণে বোঝা যায়।

ধরা যাক, একটি সময়ে ৫০০ arriving passenger terminal থেকে বের হচ্ছেন।

তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দুজন করে স্বজন অপেক্ষা করলেও visitor সংখ্যা হতে পারে এক হাজার।

কিন্তু গড়ে চারজন করে এলে সেটি দুই হাজারে পৌঁছাবে।

এটি বাস্তব কোনো নির্দিষ্ট সময়ের headcount নয়; visitor-per-passenger limit কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর illustrative calculation।

একাধিক wide-body international flight কাছাকাছি সময়ে পৌঁছালে বাস্তব crowd pressure আরও জটিল হতে পারে।

শুধু ভিড় নয়, emergency access-ও গুরুত্বপূর্ণ

অতিরিক্ত crowd-এর বিষয়টি শুধু যাত্রীদের অস্বস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

Airport-এর মতো controlled environment-এ emergency response-এর জন্য movement corridor পরিষ্কার থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

কোনো যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে medical team-এর প্রবেশ, security incident হলে দ্রুত response অথবা জরুরি evacuation-এর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত crowd movement ধীর করতে পারে।

তবে canopy-তে বর্তমান ভিড়ের কারণে নির্দিষ্ট কোনো security incident ঘটেছে—এমন তথ্য ছাড়া এটিকে সরাসরি বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যর্থতা বলা যথাযথ হবে না।

বরং এটি crowd management ও emergency accessibility-এর একটি বাস্তব ঝুঁকি হিসেবে দেখা যেতে পারে।

গাড়িভর্তি মানুষ নামলে যানবাহন ব্যবস্থাপনাতেও চাপ

Canopy congestion-এর সঙ্গে vehicle management-এরও সম্পর্ক রয়েছে।

একটি গাড়ি থেকে শুধু passenger ও প্রয়োজনীয় একজন-দুজন ব্যক্তি নামলে vehicle দ্রুত drop-off বা pick-up area ছাড়তে পারে।

কিন্তু একই গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলে vehicle dwell time বেড়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।

একই সময়ে অনেক গাড়ি এভাবে অবস্থান করলে terminal frontage-এর traffic flow-তেও চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে peak arrival এবং departure period-এ এটি airport access road-এর congestion বাড়াতে পারে।

Enforcement সবার ক্ষেত্রে সমান হওয়াও জরুরি

কোনো visitor restriction কার্যকর করতে হলে সেটি শুধু প্রচার করাই নয়, ধারাবাহিক ও সবার ক্ষেত্রে একইভাবে প্রয়োগ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

একটি পরিবারকে যদি দুইজনের বেশি প্রবেশ করতে না দেওয়া হয় কিন্তু পাশের আরেকটি পরিবার চার-পাঁচজন নিয়ে ঢুকে যায়, তাহলে restriction-এর গ্রহণযোগ্যতা দুর্বল হয়ে পড়ে।

এ কারণে entry point-এ নিয়মের দৃশ্যমানতা এবং consistent enforcement—দুটিই প্রয়োজন।

একই সঙ্গে elderly passenger, প্রতিবন্ধী যাত্রী বা বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন এমন ক্ষেত্রে কী ধরনের exception থাকবে, সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো হলে মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি কমতে পারে।

প্রযুক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব কি না

দীর্ঘমেয়াদে canopy access management-এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগও বিবেচনা করা যেতে পারে।

Passenger-এর booking বা boarding information-এর সঙ্গে সীমিতসংখ্যক visitor access token, QR pass অথবা digital visitor management system যুক্ত করা সম্ভব কি না, তা feasibility অনুযায়ী পরীক্ষা করা যেতে পারে।

তবে এমন ব্যবস্থা চালুর আগে airport layout, passenger volume, implementation cost এবং সাধারণ মানুষের digital accessibility বিবেচনা করা প্রয়োজন।

প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই সমস্যার সমাধান হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু manual enforcement-এর পাশাপাশি structured access system crowd control সহজ করতে পারে।

স্বজনদের জন্য বিকল্প অপেক্ষাস্থলও প্রয়োজন

শুধু ‘প্রবেশ করবেন না’ বললে সমস্যার পুরো সমাধান নাও হতে পারে।

বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা পরিবারের সদস্যকে নিতে একাধিক স্বজন বিমানবন্দরে আসা অস্বাভাবিক নয়।

ফলে canopy-তে মানুষের সংখ্যা সীমিত করতে হলে অতিরিক্ত স্বজনদের জন্য terminal frontage-এর বাইরে নিরাপদ ও নির্ধারিত waiting area থাকাও কার্যকর হতে পারে।

সেখানে seating, shade, flight information display এবং passenger-এর সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা থাকলে সবাইকে arrival gate-এর সামনে ভিড় করার প্রয়োজন কমতে পারে।

নিয়ম কার্যকরে প্রয়োজন সমন্বিত ব্যবস্থা

প্রায় দুই বছর আগে যাত্রীপ্রতি দুইজন visitor-এর সীমা নির্ধারণ করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, শুধু একটি administrative instruction দীর্ঘমেয়াদে crowd নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

এখন প্রয়োজন হতে পারে কয়েকটি ব্যবস্থা একসঙ্গে কার্যকর করা—নিয়মটির ব্যাপক প্রচার, entry point-এ স্পষ্ট signage, consistent enforcement, airline-এর মাধ্যমে আগাম notification এবং অতিরিক্ত স্বজনদের জন্য বিকল্প waiting arrangement।

একই সঙ্গে যাত্রী ও তাদের স্বজনদেরও বুঝতে হবে, airport canopy ব্যক্তিগত বিদায় বা অভ্যর্থনার জন্য দীর্ঘ সময়ের gathering space নয়।

থার্ড টার্মিনালের যুগে crowd management আরও গুরুত্বপূর্ণ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসংখ্যা বাড়ছে এবং নতুন অবকাঠামো যুক্ত হওয়ার সঙ্গে airport operation-এর scale-ও বড় হচ্ছে।

এই অবস্থায় শুধু terminal capacity বাড়ালেই passenger experience উন্নত হবে না। Terminal-এর সামনে vehicle flow, visitor access, trolley movement এবং arrival-departure crowd-ও পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

যাত্রীপ্রতি সর্বোচ্চ দুইজন স্বজনের বিদ্যমান নিয়ম কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে canopy-এর অপ্রয়োজনীয় crowd উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হতে পারে।

তবে সেটি শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা airport staff-এর একার দায়িত্ব নয়।

কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ও ধারাবাহিক enforcement-এর পাশাপাশি যাত্রী ও তাদের স্বজনদের সহযোগিতাও প্রয়োজন। কারণ একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের arrival ও departure area যতটা আবেগের বিদায় ও স্বাগত জানানোর জায়গা, তার চেয়েও আগে এটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন passenger movement-এর operational zone।

সূত্র: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ২৭ জুলাই ২০২৪-এর নির্দেশনা, বিমানবন্দরে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ এবং যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ, ক্ষতিগ্রস্ত ১৩৪ ফ্লাইট

1

বিশ্বের এক নম্বর বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন সেবা দিচ্ছে সিঙ্গাপুর

2

‘ফাইট, নট ফ্লাইট’: শিকাগোর ও’হেয়ার বিমানবন্দরে যাত্রীদের ওপ

3

যুক্তরাজ্যে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ত্রুটিতে ১৫০টির বেশি ফ্লাই

4

তৃতীয় টার্মিনালের ইমিগ্রেশন আধুনিকায়নে ৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প

5

শাহজালালে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার: তদন্তে নতুন তথ্য, নজরদারিতে

6

১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনে জাপানের সহযোগিতা চাইল ব

7

নিরাপদ বিমান চলাচলে দক্ষ জনবল গড়তে বেবিচকের এটিসি বেসিক কোর্

8

শাহজালাল বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোনে এক দশক ধরে ১২ পরিত্যক্ত উড়ো

9

দেশের সব বিমানবন্দরে ‘এভিয়েশন সিকিউরিটি উইক’ পালন করছে বেবিচ

10

কী আছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে

11

জুলাইয়ে ৫৩ উড়োজাহাজ সরবরাহ বোয়িংয়ের, সাত মাসে বেড়েছে ১২ শতাং

12

চাকরি স্থায়ীকরণ ও ইনক্রিমেন্টের দাবিতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্

13

তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আসছে দ্বিতীয় অপারেটর

14

বিমানবন্দরের আকাশে ড্রোন কতটা বিপজ্জনক? বিশ্বজুড়ে ফ্লাইট বন্

15

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুবাইফেরত যাত্রীর ব্যাগেজে প্রায় ৬ লাখ

16

রেকর্ড মুনাফায় বিমান, ১৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদে বাড়ছে সক্ষম

17

কক্সবাজার বিমানবন্দরে ‘এভিয়েশন সিকিউরিটি উইক–২০২৬’ পালিত

18

পর্যটন মেলায় ইউএস-বাংলার টিকিটে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ ছাড়, সুযোগ

19

থার্ড টার্মিনালে চিহ্নিত ত্রুটি সংশোধনে ব্যবস্থা, ঠিকাদারকেই

20