aviation
প্রকাশিত: 28 September 2026, 12:21:43 Pm
অনলাইন সংস্করণ

পিপিপিতে নতুন রূপ পাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর, আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ

দীর্ঘদিন নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটের বাইরে থাকা বগুড়া বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা Public-Private Partnership (PPP) মডেলে বিমানবন্দরটির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের প্রাথমিক পরিকল্পনায় নতুন রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, অ্যাপ্রোন, যাত্রী টার্মিনাল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিমানবন্দর অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় রয়েছে।

প্রকাশিত সর্বশেষ প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, জুন ২০২৬-এর সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (RADP) এবং জুলাইয়ের ADP সভার সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় প্রকল্পটি PPP পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (CAAB) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এটি এখনো নির্মাণকাজ শুরুর পর্যায়ে নয়। প্রকল্পের চূড়ান্ত আকার, ব্যয়, রানওয়ের নকশা, জমির প্রয়োজন এবং PPP বিনিয়োগ কাঠামো নির্ধারণের আগে বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

প্রথমে হবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও মাস্টারপ্ল্যান

একটি বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে শুধু রানওয়ে দীর্ঘ করাই যথেষ্ট নয়। বিমানবন্দরটি ভবিষ্যতে কত যাত্রী ও কার্গো পরিচালনা করতে পারে, কোন ধরনের উড়োজাহাজ ব্যবহার করবে, কত জমি প্রয়োজন হবে এবং প্রকল্পটি আর্থিকভাবে কতটা টেকসই—এসব বিষয় আগে নির্ধারণ করতে হয়।

বগুড়া বিমানবন্দরের ক্ষেত্রেও feasibility study, masterplan, pavement design এবং নতুন passenger terminal-এর detailed design তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

সমীক্ষার আওতায় ভূমির ভূপ্রকৃতি, মাটির সক্ষমতা, বিদ্যমান অবকাঠামো, পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব এবং আর্থিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার মতো বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করার কথা রয়েছে।

একই এলাকায় বেসামরিক ও সামরিক বিমান চলাচলের পরিকল্পনা থাকায় ভবিষ্যৎ airspace, runway use, land-use এবং airport masterplan তৈরির ক্ষেত্রেও দুই ধরনের অপারেশনের প্রয়োজন বিবেচনা করতে হবে।

বড় উড়োজাহাজের জন্য বাড়বে রানওয়ে

বর্তমান বগুড়া বিমানবন্দরের রানওয়ে বড় বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের নিয়মিত কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত নয়। CAAB-এর বর্তমান Aeronautical Information Publication-এ বগুড়া এয়ারফিল্ডের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

নতুন পরিকল্পনায় দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণ বা বিদ্যমান সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়টি তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত পরিবর্তনগুলোর একটি।

সাম্প্রতিক PPP-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে প্রায় ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ ও ১৫০ ফুট প্রশস্ত রানওয়ে নির্মাণ এবং ভবিষ্যতে সেটি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে মে মাসে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শনের সময় ১০ হাজার ৫০০ ফুট পর্যন্ত রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে জানানো হয়েছিল। 

অর্থাৎ রানওয়ের চূড়ান্ত দৈর্ঘ্য এখনই নির্ধারিত ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। বিস্তারিত masterplan ও engineering design শেষ হলে চূড়ান্ত configuration স্পষ্ট হবে।

শুধু রানওয়ের দৈর্ঘ্য দিয়ে নির্ধারিত হয় না কোন বিমান নামতে পারবে

বগুড়ায় দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণ হলে Boeing 737-800-এর মতো বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরির কথা বিভিন্ন পরিকল্পনায় বলা হচ্ছে। Bangla Edition

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ aviation বিষয় রয়েছে। শুধু ৯ হাজার, ১০ হাজার বা সাড়ে ১০ হাজার ফুট রানওয়ে থাকলেই নির্দিষ্ট ধরনের বড় উড়োজাহাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায় না।

এর সঙ্গে runway pavement strength, taxiway ও apron capacity, obstacle limitation, navigation ও approach system, runway lighting, fire and rescue category, ground handling এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের মতো বিষয় জড়িত।

এছাড়া একটি উড়োজাহাজের প্রয়োজনীয় takeoff ও landing distance তার ওজন, আবহাওয়া, runway condition এবং operational configuration-এর ওপরও পরিবর্তিত হয়।

তাই প্রকল্পের বিস্তারিত নকশা চূড়ান্ত হওয়ার আগে বগুড়া বিমানবন্দর থেকে ঠিক কোন কোন aircraft type নিয়মিত পরিচালনা করা যাবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সময়ের আগে হবে।

প্রয়োজন হতে পারে আরও প্রায় ৭০০ একর জমি

বিমানবন্দর সম্প্রসারণের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হতে পারে ভূমি অধিগ্রহণ।

বর্তমান বিমানবন্দরটি প্রায় ১০৯ একর জমির ওপর রয়েছে। সর্বশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন রানওয়ে ও অন্যান্য বিমানবন্দর অবকাঠামোর জন্য এর বাইরে আরও প্রায় ৭০০ একর জমির প্রয়োজন হতে পারে। 

প্রাথমিক পরিকল্পনার একটি অংশে প্রায় ৪০০ একর এলাকার ওপর রানওয়ে তৈরির কথা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য সম্প্রসারণ এলাকায় বসতবাড়ি ও কৃষিজমি থাকায় জমি অধিগ্রহণের সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবও feasibility study-তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিমানবন্দর নির্মাণে শুধু runway footprint নয়; taxiway, apron, terminal, navigation facility, safety zone, drainage, access road এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্যও পর্যাপ্ত জমি রাখতে হয়।

৩০ হাজার কোটি টাকার হিসাব এখনো চূড়ান্ত নয়

সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুরো উন্নয়ন পরিকল্পনার সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। 

তবে এটিকে এখনই প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদিত ব্যয় হিসেবে দেখা উচিত নয়।

এর আগে জুনে প্রকাশিত অন্য একটি পরিকল্পনায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের কথাও এসেছিল। dhakapost.com ফলে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত ব্যয়ের অঙ্কে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে প্রকল্পের scope বা পরিকল্পনার পর্যায়ভেদে ব্যয়ের ধারণা পরিবর্তন হওয়া। তবে সরকারি বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব, feasibility study এবং PPP financial structure চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত এই পার্থক্যের নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

এ কারণে Aviation Barta-এর হিসাবে ৩০ হাজার কোটি টাকা বর্তমানে একটি প্রাথমিক ব্যয়-ধারণা, চূড়ান্ত project cost নয়।

PPP হলে বিমানবন্দর প্রকল্প কীভাবে এগোতে পারে

PPP পদ্ধতিতে সরকার ও বেসরকারি বিনিয়োগকারী একটি অবকাঠামো প্রকল্পে নির্ধারিত কাঠামোয় অংশ নেয়। তবে PPP মানেই সরকার পুরো বিমানবন্দর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দিয়ে দিচ্ছে—এমন নয়।

প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী financing, construction, operation, maintenance কিংবা নির্দিষ্ট commercial facility পরিচালনার দায়িত্ব বিভিন্নভাবে ভাগ করা যেতে পারে।

বগুড়ার ক্ষেত্রে কোন PPP model অনুসরণ করা হবে, বেসরকারি অংশীদার কত অর্থ বিনিয়োগ করবে, সরকার কী ধরনের সহায়তা দেবে এবং বিমানবন্দর পরিচালনার দায়িত্ব কার কাছে থাকবে—এসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর feasibility study এবং পরবর্তী PPP structuring-এর সময় আরও পরিষ্কার হওয়ার কথা।

কেন বগুড়ার অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ

বগুড়া উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যকেন্দ্র। বিমানবন্দরটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এলে শুধু বগুড়া নয়, জয়পুরহাট, নওগাঁ, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের জন্য নতুন বিমান যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সময়-সংবেদনশীল কৃষিপণ্য ও উচ্চমূল্যের পণ্য পরিবহনে air cargo সুবিধা তৈরি হলে স্থানীয় ব্যবসার জন্যও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

তবে airport তৈরি হলেই এসব অর্থনৈতিক সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যাবে না। নিয়মিত যাত্রী ও cargo demand, airlines-এর commercial interest, প্রতিযোগিতামূলক operating cost এবং কার্যকর surface connectivity থাকতে হবে।

আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর আর আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এক বিষয় নয়

বগুড়া বিমানবন্দরকে ‘আন্তর্জাতিক মানে’ উন্নীত করার পরিকল্পনা এবং সেখানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট চালু হওয়া দুটি আলাদা বিষয়।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালাতে বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি immigration, customs, aviation security, quarantine/health facilities, international passenger processing এবং সংশ্লিষ্ট regulatory approval প্রয়োজন হয়।

এরপরও কোনো বিদেশি বা দেশীয় এয়ারলাইনকে রুটটির যাত্রীচাহিদা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিবেচনা করে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তাই বগুড়া থেকে এখনই কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট চালু হচ্ছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এই উন্নয়ন পরিকল্পনা থেকে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

বগুড়াকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা

মে মাসে বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শনের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বগুড়াকে উত্তরাঞ্চলের একটি aviation hub হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। মন্ত্রণালয়ের সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিমানবন্দর উন্নয়নসহ এ অঞ্চলের এভিয়েশন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা রয়েছে। MOCAT

পরবর্তী সময়ে সরকারের পক্ষ থেকেও বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। জুলাইয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও বিমানবন্দরটির উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা বলেন। 

তবে প্রকল্পটি এখনো planning, feasibility এবং PPP preparation stage-এ থাকায় নির্মাণ শুরুর সময়, কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ কিংবা বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনই নিশ্চিত নয়।

বগুড়া বিমানবন্দরের ভবিষ্যতের জন্য তাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও মাস্টারপ্ল্যান শেষ করা, প্রয়োজনীয় জমি নির্ধারণ, PPP কাঠামো চূড়ান্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি অনুমোদন পাওয়া। এসব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে দীর্ঘদিন সীমিত ব্যবহারে থাকা বিমানবন্দরটি উত্তরাঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বিমান যোগাযোগের নতুন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার বাস্তব পথ তৈরি হবে।

তথ্যসূত্র: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের AIP, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের প্রকাশিত বক্তব্য এবং বগুড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন ও PPP পরিকল্পনাসংক্রান্ত প্রতিবেদন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্সের সফটওয়্যারে ত্রুটি, অবতরণের বিশেষ পরিস্

1

রিয়াদ থেকে টোকিওতে সরাসরি ফ্লাইট চালু করছে সৌদিয়া, শুরু ১৭ ন

2

NCASC-এর ১৪তম সভা অনুষ্ঠিত, আসন্ন ICAO Audit সামনে রেখে এভিয়

3

জমজমের পানি দিতে বিলম্ব, বিমানের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভ

4

সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে প্রথমবারের মতো আইএলএস রক্ষণাবেক্ষণ প

5

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার স্বর্ণ ও আই

6

বৈরী আবহাওয়ায় কাঠমান্ডুতে নামতে ব্যর্থ China Eastern-এর ফ্লা

7

চার্টার্ড ফ্লাইট কী, বাংলাদেশে কীভাবে ভাড়া করবেন—জেনে নিন পু

8

হামলার ঝুঁকির মধ্যেই দাম্মামে গেলো বিমানের ফ্লাইট, যাত্রী ৩৭

9

শাহজালাল বিমানবন্দরে আচারের বয়ামে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ

10

বিমানবন্দরের সামনে ভিক্ষার অভিনব কৌশল: দেশের ভাবমূর্তিতে নেত

11

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট বিঘ্ন, যাত্রীদের সুরক্ষায়

12

সবুজ এভিয়েশনের পথে বাংলাদেশ, টেকসই বিমান জ্বালানি (SAF) ব্যব

13

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আন্ডারওয়্যারে লুকানো প্রায় ১ কোটি টাকা

14

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, লালমনিরহাট

15

বিমানের ফ্লাইটে ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট

16

নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পর্যটন মন্ত্

17

১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্যে বেবিচকে অনুষ্ঠিত হ

18

AirAsia-এর অর্থসংকটে সরকারি সহায়তা নিয়ে আলোচনা

19

হাতিরঝিলে ১৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক হাফ ম্যারাথন, অংশ নেবেন

20