এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচলের অন্যতম পুরোনো পাইলট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশন লিমিটেড (BFA&GA) গত ২৮ জুন থেকে কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। অর্থসংকট, পর্যাপ্ত সহায়তার অভাব এবং প্রশিক্ষণের জন্য airworthy aircraft না থাকার কথা জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রায় আট দশকের পুরোনো প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন প্রশিক্ষণরত শিক্ষার্থীরা। তাদের অসমাপ্ত flying hours, licence training, ইতোমধ্যে পরিশোধ করা অর্থ এবং ভবিষ্যৎ career progression কীভাবে এগোবে—এসব প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।
এরই মধ্যে গত ৪ আগস্ট BFA&GA-এর শিক্ষার্থী ও কর্মীদের পক্ষ থেকে বেবিচক চেয়ারম্যানের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ওই আবেদনে ২৮ জুনের temporary closure-এর বিষয়টি উল্লেখ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্রুত সমাধান চাওয়া হয়।
২৮ জুন কী হয়েছিল
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুন BFA&GA-এর ভারপ্রাপ্ত Accountable Manager ক্যাপ্টেন আবু সাফা বেবিচক চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি দেন।
চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ‘temporary’ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানানো হয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় তহবিলের সংকট, পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার অভাব এবং airworthy aircraft না থাকা।
একটি flying school-এর জন্য শেষ কারণটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু aircraft থাকলেই সেটি দিয়ে student pilot-কে training দেওয়া যায় না। Aircraft-কে airworthy অবস্থায় থাকতে হয়, নির্ধারিত maintenance সম্পন্ন করতে হয় এবং applicable regulatory requirement পূরণ করতে হয়।
ফলে কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে অর্থায়নের পাশাপাশি ব্যবহারযোগ্য training aircraft নিশ্চিত করাও BFA&GA-এর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
শিক্ষার্থী-কর্মীরা চেয়েছেন CAAB-এর হস্তক্ষেপ
Temporary closure-এর এক মাসের বেশি সময় পর ৪ আগস্ট শিক্ষার্থী ও কর্মীদের পক্ষ থেকে বেবিচক চেয়ারম্যানের কাছে “Urgent Intervention Regarding the Current Situation of Bangladesh Flying Academy” শিরোনামে আবেদন করা হয়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই আবেদনে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘায়িত training নিয়েও অভিযোগ করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের দাবি, কিছু শিক্ষার্থী দুই বছরের course-এ ভর্তি হলেও পাঁচ থেকে ছয় বছরেও প্রয়োজনীয় flight training শেষ করতে পারেননি। বিভিন্ন শিক্ষার্থীর ফেরতযোগ্য অর্থের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা বলেও আবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৩০ জন কর্মীর দীর্ঘদিনের বেতন বকেয়া থাকার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
এগুলো শিক্ষার্থী ও কর্মীদের আবেদনে উত্থাপিত দাবি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত যাচাই ছাড়া এসব আর্থিক অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।
১৯৪৮ থেকে বাংলাদেশের পাইলট তৈরির ইতিহাস
BFA&GA-এর গুরুত্ব বোঝার জন্য প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ।
বেবিচকের Aircraft Accident Investigation Committee-এর ২০২১ সালের Cessna-152 দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনে Bangladesh Flying Academy and General Aviation Ltd.-এর সাংগঠনিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। সরকারি ওই নথিতে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের flying-training কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে।
অন্য একটি সরকারি প্রকল্প নথিতেও BFA-এর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি ১৯৪৮ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বর্তমান CAAB Personnel Licensing Handbook-এর sample ATO certificate-এও Bangladesh Flying Academy & General Aviation Ltd.-কে Certificate of Approval No. 01 হিসেবে দেখানো হয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত course হিসেবে Private Pilot Licence, Commercial Pilot Licence, Instrument Rating এবং Flight Instructor Rating উল্লেখ রয়েছে।
এই দীর্ঘ ইতিহাসের কারণে BFA&GA-এর বর্তমান সংকটকে শুধু একটি training organisation-এর temporary closure হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি পাওয়া যায় না। এর সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব pilot-training infrastructure-এর একটি ঐতিহাসিক অংশও জড়িত।
পাইলট শিক্ষার্থীদের সমস্যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতো নয়
একটি flying school মাঝপথে বন্ধ হলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা শুধু classroom বন্ধ থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
Professional pilot licence অর্জনের জন্য ground training-এর পাশাপাশি নির্দিষ্ট ধরনের flight experience এবং flying hours সম্পন্ন করতে হয়। এর সঙ্গে instructor supervision, medical requirement, skill test এবং regulatory requirement-ও যুক্ত থাকে।
CAAB-এর নথি অনুযায়ী BFA&GA PPL, CPL, Instrument Rating এবং Flight Instructor Rating course পরিচালনার জন্য ATO framework-এর আওতায় ছিল।
ফলে training দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে student pilot-এর প্রয়োজনীয় flying continuity ব্যাহত হতে পারে।
বিশেষ করে কোনো শিক্ষার্থী ground school এবং flying-এর একটি অংশ শেষ করে থাকলে তার অবশিষ্ট training কোথায় ও কীভাবে সম্পন্ন হবে—সেটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
Flying hours কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
Pilot training-এ শুধু course-এ ভর্তি হওয়া বা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যথেষ্ট নয়।
Licence category অনুযায়ী নির্ধারিত flight experience অর্জন করতে হয়। Student pilot-এর training record এবং logbook-এ এসব flight properly documented থাকে।
একটি flying school-এর aircraft দীর্ঘদিন grounded থাকলে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় hours build-up ধীর হয়ে যায়। ফলে course completion পিছিয়ে যেতে পারে।
দীর্ঘ বিরতির পর training পুনরায় শুরু হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে proficiency পুনরুদ্ধারে additional training-এরও প্রয়োজন হতে পারে।
এ কারণেই শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু ‘একাডেমি আবার খুলবে কি না’ নয়, কবে থেকে বাস্তবে training flight শুরু হবে—সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
Airworthy aircraft সংকট কেন বড় বাধা
BFA&GA-এর temporary suspension-এর কারণ হিসেবে airworthy training aircraft-এর অভাব উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির অতীত fleet-এ Cessna training aircraft থাকার সরকারি প্রমাণও রয়েছে।
২০২১ সালের ১৬ মার্চ BFA&GA-এর Cessna-152, registration S2-AGG, রাজশাহীর লালপুর এলাকায় forced landing-এর ঘটনায় দুর্ঘটনায় পড়ে। পরবর্তী সময়ে বেবিচকের Aircraft Accident Investigation Committee ঘটনাটি তদন্ত করে।
তদন্ত প্রতিবেদনে সেই সময় প্রতিষ্ঠানটির aircraft status সম্পর্কেও তথ্য রয়েছে। একটি aircraft আগে থেকেই grounded ছিল এবং S2-AGG দুর্ঘটনার পর তদন্তাধীন ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এটি ২০২১ সালের পরিস্থিতি; বর্তমান ২০২৬ সালের aircraft status-এর সরাসরি প্রমাণ নয়। তবে একটি ছোট training fleet-এর ক্ষেত্রে aircraft availability কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, সেই বাস্তবতা এটি দেখায়।
শুধু aircraft কিনলেই সমাধান হবে না
Flying academy পুনরায় কার্যকর করতে শুধু একটি বা দুটি aircraft সংগ্রহ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না।
Aircraft-এর continuing airworthiness বজায় রাখতে engineering support, spare parts, scheduled maintenance, technical records এবং qualified personnel প্রয়োজন।
একই সঙ্গে প্রয়োজন qualified flight instructor, ground instructor, safety management, training documentation এবং regulator-এর প্রয়োজনীয় approval।
বেবিচকের প্রকাশিত Approved Maintenance Organisation তালিকাতেও BFA&GA-এর জন্য Cessna-150G, 182F, 152 ও PA38-112-এর নির্দিষ্ট maintenance scope-এর তথ্য পাওয়া যায়।
ফলে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালুর কোনো পরিকল্পনা হলে training fleet-এর পাশাপাশি maintenance capability-ও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বাংলাদেশের aviation expansion-এর সঙ্গে যোগসূত্র
বাংলাদেশের commercial aviation market সম্প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে airlineগুলোর skilled manpower requirement-ও বাড়ছে।
Pilot তৈরি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। একজন নতুন student pilot থেকে airline cockpit-এর জন্য উপযুক্ত professional pilot তৈরি হতে training, licence, experience এবং airline-specific qualification—বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করতে হয়।
দেশের ভেতরে পর্যাপ্ত flying-training capacity না থাকলে শিক্ষার্থীদের বিদেশের training organisation-এর ওপর বেশি নির্ভর করতে হতে পারে।
বিদেশে training নেওয়া নিজে কোনো সমস্যা নয় এবং বিশ্বের aviation industry-তে এটি স্বাভাবিক। তবে এর সঙ্গে tuition fee-এর পাশাপাশি accommodation, visa, travel এবং foreign currency expenditure যুক্ত হতে পারে।
দেশে কার্যকর ও regulatory-compliant ATO থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্থানীয় training option বজায় থাকে।
এই জায়গাতেই BFA&GA-এর মতো দীর্ঘদিনের একটি training organisation-এর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের aviation human-resource development-এর জন্য প্রাসঙ্গিক।
অভিযোগের তদন্ত এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ
BFA&GA-এর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে financial mismanagement এবং governance-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগও এসেছে।
এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগ এবং প্রমাণিত অনিয়মের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি।
কোনো আর্থিক বা প্রশাসনিক অনিয়ম হয়ে থাকলে যথাযথ audit বা তদন্তের মাধ্যমে সেটি নির্ধারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কিন্তু একই সঙ্গে যেসব শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে training fee দিয়েছেন এবং course-এর একটি অংশ সম্পন্ন করেছেন, তাদের ভবিষ্যৎও আলাদা করে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে student pilot-দের career যেন অনির্দিষ্ট সময় আটকে না থাকে, সে জন্য একটি কার্যকর training completion বা transition plan গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
শিক্ষার্থীদের জন্য কোন বিষয়গুলো স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন
বর্তমান অবস্থায় সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নগুলোর একটি হলো existing students-এর অসমাপ্ত training কীভাবে শেষ হবে।
BFA&GA পুনরায় চালু হলে তাদের আগের training record কীভাবে continue করা হবে, airworthy aircraft কবে পাওয়া যাবে এবং নিয়মিত flight schedule কত দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন।
অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত operational হতে না পারলে applicable CAAB rules অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের অন্য approved training organisation-এ training continuation-এর কোনো সুযোগ বা প্রক্রিয়া রয়েছে কি না, সেটিও regulator-এর কাছ থেকে পরিষ্কার হওয়া দরকার।
একইভাবে যেসব শিক্ষার্থী refund দাবি করছেন, তাদের আর্থিক দাবি কীভাবে নিষ্পত্তি হবে সেটিও পৃথক বিষয়।
‘Temporary closure’ আর ATO approval বাতিল এক নয়
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
BFA&GA-এর পক্ষ থেকে ২৮ জুন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানানো হয়েছে।
এটিকে সরাসরি ‘CAAB প্রতিষ্ঠানটির ATO licence বাতিল করেছে’ বলা ঠিক হবে না—যদি না regulator আলাদাভাবে suspension, cancellation বা revocation-এর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেয়।
CAAB-এর Personnel Licensing Handbook-এ ATO approval-এর ক্ষেত্রে certificate cancelled, suspended বা revoked হওয়ার আলাদা regulatory concept রয়েছে।
ফলে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব operational closure এবং regulator-এর approval status—দুটি আলাদা বিষয়।
৭৮ বছরের প্রতিষ্ঠানটির সামনে এখন বড় প্রশ্ন
১৯৪৮ থেকে ২০২৬—প্রায় ৭৮ বছরের পথচলায় Bangladesh Flying Academy বাংলাদেশের civil aviation training history-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রতিষ্ঠানটির সামনে এখন প্রশ্ন শুধু অতীতের ঐতিহ্য ধরে রাখার নয়; বরং একটি modern flying school হিসেবে sustainable operation নিশ্চিত করার।
এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন, airworthy aircraft, qualified instructor, maintenance support, effective safety management, regulatory compliance এবং স্থিতিশীল governance।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট সমাধান।
এখন প্রয়োজন স্পষ্ট রোডম্যাপ
২৮ জুনের temporary suspension-এর পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুনরায় শুরুর নির্দিষ্ট ও আনুষ্ঠানিক তারিখ এখনো নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি।
তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনানুষ্ঠানিক সূত্রে কোনো সম্ভাব্য তারিখ প্রচারিত হলেও বেবিচক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া সেটিকে reopening date হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
এখন BFA&GA-এর সামনে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—airworthy training aircraft কীভাবে নিশ্চিত হবে, existing students-এর অসমাপ্ত training কীভাবে শেষ হবে, আর্থিক দায় কীভাবে নিষ্পত্তি হবে এবং প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘমেয়াদে কীভাবে financially ও operationally sustainable হবে।
প্রায় আট দশকের একটি প্রতিষ্ঠান আবার চালু হওয়াই একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; সেটিকে এমনভাবে চালু করা প্রয়োজন যাতে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে নিরাপদ ও regulatory-compliant training শেষ করতে পারেন।
বাংলাদেশের aviation sector যখন fleet ও international connectivity সম্প্রসারণের দিকে এগোচ্ছে, তখন নিজস্ব pilot-training capacity ধরে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই কারণেই Bangladesh Flying Academy-এর ভবিষ্যৎ শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রশ্ন নয়—এর সঙ্গে বর্তমান student pilot-দের career এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ aviation workforce তৈরির সক্ষমতাও জড়িত।
সূত্র: বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের Aircraft Accident Investigation Committee ও Personnel Licensing Handbook; BFA&GA শিক্ষার্থী-কর্মীদের CAAB-তে দেওয়া আবেদন; এবং Bangladesh Flying Academy-এর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন।