বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাওলা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা ও পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সেখানে বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। আবাসিক এলাকার ডি-টাইপ কোয়ার্টারের পাশে নার্সারি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত জায়গার বরাদ্দ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাওলা আবাসিক এলাকায় ইতোমধ্যে নিরাপত্তাসংক্রান্ত নানা সমস্যা রয়েছে। বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত, অননুমোদিত যানবাহন পার্কিং ও ভাসমান দোকানের কারণে আবাসিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে চুরি-ছিনতাইসহ অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নার্সারি চালু হলে বহিরাগত ব্যক্তি ও যানবাহনের চলাচল আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
তাদের দাবি, নার্সারির জন্য নির্ধারিত স্থানটি যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা না হলে সেখানে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে। এতে বিশেষ করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাসিন্দারা বলছেন, বেবিচকের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেন। ফলে তাদের পরিবারের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিয়ন্ত্রিত আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
এ অবস্থায় কাওলা আবাসিক এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, বহিরাগতদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং ভাসমান দোকান অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে ডি-টাইপ কোয়ার্টারের পাশে নার্সারির জন্য জায়গা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিল করার জন্য বেবিচক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আবাসিক এলাকার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের প্রত্যাশা, সার্বিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও আবাসিক পরিবেশের স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন