দ্রুত কার্গো খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে: বিমানমন্ত্রী
aviation
প্রকাশিত: 17 August 2026, 8:47:59 Am
|অনলাইন সংস্করণ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি বলেছেন, বিমানবন্দরে দ্রুত কার্গো পণ্য খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সেবার মানোন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ অনুসরণকারী নয়, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে যেতে চায়।
আজ সোমবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বিমানমন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের কারিগরি ও অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধান এখন অগ্রাধিকার। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সহজ করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত রেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
কার্গো ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরির প্রসঙ্গে আফরোজা খানম বলেন, “প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা অনুসরণকারী নয়, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে আসতে চাই। দ্রুত কার্গো পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।”
তিনি দ্রুত স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিমানবন্দরের অবকাঠামো তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কাস্টমসের দায়িত্ব আমদানি-রপ্তানি পণ্যের বৈধতা, প্রয়োজনীয় ঘোষণা ও কাগজপত্র এবং শুল্ক-সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করা। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি হলে কাস্টমস সেখানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, বিষয়টি সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত না হলেও দেশের বাণিজ্য ও রপ্তানি কার্যক্রমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিমানবন্দরের আধুনিক ও কার্যকর কার্গো ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তুত রয়েছে।
সভায় কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে একটি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের জন্য সাতটি এবং একটি স্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের জন্য চারটি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ ছাড়া ওষুধ আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণ, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নির্দেশিকা তৈরি, আমদানিকৃত কার্গোর নোটিশ দ্রুত আমদানিকারকের কাছে পৌঁছানো এবং আমদানিকৃত পণ্য দ্রুত খুঁজে বের করতে এআই মডেল তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাতে গতি আনতে চান নতুন মন্ত্রী এম রশ
1
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, কারণ অনুসন্ধানে তদন
2
বিমানের বহরে আসছে ১০ এয়ারবাস, বুধবার চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি
3
পাকিস্তানের আকাশসীমা জটিলতা কাটিয়ে শুক্রবার ঢাকায় আসছে রূপপু
4
বেনামি অভিযোগে ব্যবস্থা নয়, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকলে তদ