বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অডিট আপত্তি শাখার কর্মকর্তা মো. জাহিদুল হককে ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তার সহকর্মীদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সহকর্মীরা জানান, অডিট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সময় জাহিদুল হক নিয়ম-কানুন অনুসরণ এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করেছেন। কর্মজীবনে তিনি কখনো কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলেও তারা দাবি করেন।
সম্প্রতি তাকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার জন্য নির্ধারিত কোনো পদ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তার সহকর্মীদের অভিযোগ, একটি মহল ব্যক্তিগত স্বার্থে তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এমনকি আর্থিক লেনদেনের মতো অভিযোগ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন। তবে তাদের বক্তব্য, এ ধরনের কোনো অনিয়মের প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে বেবিচক চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থাপন করা উচিত; গণমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে কোনো কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা সমীচীন নয়।
সহকর্মীরা আরও জানান, জাহিদুল হক বর্তমানে পারিবারিক কিছু বাস্তব সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তার স্ত্রী অসুস্থ এবং সম্প্রতি পরিবারে নতুন সন্তানের আগমন ঘটেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তিনি প্রশাসনিকভাবে কিছু সময় চেয়েছেন বলেও জানা গেছে।
বেবিচকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করেন, প্রশাসনিক বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
তাদের প্রত্যাশা, বেবিচক কর্তৃপক্ষ সব পক্ষের বিষয় বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে।
মন্তব্য করুন