এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পাওনা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৪২ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। বছরের পর বছর বিমানবন্দরের বিভিন্ন অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ পরিশোধ না হওয়ায় মূল বকেয়ার সঙ্গে সারচার্জ ও অন্যান্য পাওনা যুক্ত হয়ে এই বিপুল অঙ্ক দাঁড়িয়েছে।
বেবিচকের অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে বিভিন্ন চার্জ, বকেয়া ও সারচার্জ মিলিয়ে পাওনার পরিমাণ ৫ হাজার ৮৪২ কোটি ৯১ লাখ ২৩ হাজার ৮৭৪ টাকা। পাঁচটি দেশীয় এয়ারলাইন্সের কাছে বেবিচকের মোট পাওনা ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি, যার প্রায় ৮৩ শতাংশই বিমানের কাছে আটকে রয়েছে।
বিপুল এই বকেয়া এমন সময়ে আলোচনায় এসেছে, যখন বিমান একদিকে মুনাফার তথ্য প্রকাশ করছে, অন্যদিকে বড় পরিসরে বহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ফলে শুধু পাওনা আদায় নয়, রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্সের আর্থিক দায়, নগদ প্রবাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি fleet investment-এর সক্ষমতার প্রশ্নও সামনে আসছে।
বেবিচকের হিসাব অনুযায়ী, বিমানের মোট বকেয়ার সবচেয়ে বড় অংশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেন্দ্রিক।
শাহজালালে বিমানের বকেয়া প্রায় ৩ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বকেয়া প্রায় ১ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৬০৩ কোটি টাকা।
এ ছাড়া দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরেও বিমানের ছোট-বড় বকেয়া রয়েছে।
প্রকাশিত CAAB হিসাব অনুযায়ী, যশোর বিমানবন্দরে প্রায় ১০ কোটি টাকা, সৈয়দপুরে প্রায় ৩৬ লাখ, রাজশাহীতে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ, কক্সবাজারে প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ এবং বরিশালে প্রায় ৩১ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।
৫ হাজার ৮৪২ কোটি টাকার পুরো অঙ্কটিকে শুধু বিমানবন্দর ব্যবহারের মূল বিল হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
দীর্ঘ সময় বিল অপরিশোধিত থাকায় এর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ surcharge যুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া মোট পাওনার মধ্যে প্রায় ৫১২ কোটি টাকা VAT এবং প্রায় ৫৩ লাখ টাকা income tax-এর হিসাব রয়েছে।
এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ একটি airline-এর কাছে regulator বা airport operator-এর মোট claim কত এবং তার মধ্যে original principal charge কত—দুটি এক বিষয় নয়। দীর্ঘদিন বকেয়া থাকলে applicable rules অনুযায়ী surcharge যুক্ত হয়ে মোট liability অনেক বেড়ে যেতে পারে।
একটি commercial airline বিমানবন্দর ব্যবহার করার সময় শুধু aircraft landing-এর জন্যই অর্থ দেয় না।
Airport ও air-navigation infrastructure ব্যবহারের বিপরীতে বিভিন্ন ধরনের aeronautical charge প্রযোজ্য হয়। এর মধ্যে landing, route navigation, passenger-related এবং airport facility ব্যবহারের বিভিন্ন charge থাকতে পারে।
একই সঙ্গে counter, space, ground facility ও অন্যান্য commercial service ব্যবহারের ক্ষেত্রেও non-aeronautical charge তৈরি হতে পারে।
ফলে একটি বড় international airline নিয়মিত বহু flight পরিচালনা করলে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ airport dues তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
সমস্যা তৈরি হয় যখন সেই বিল দীর্ঘদিন অপরিশোধিত থাকে এবং মূল পাওনার সঙ্গে surcharge জমতে থাকে।
বেবিচকের পাওনা শুধু রাষ্ট্রীয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছেই নয়।
দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা তিনটি বেসরকারি airline-এর কাছেও বড় অঙ্কের অর্থ আটকে রয়েছে।
প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, GMG Airlines-এর কাছে প্রায় ৪১১ কোটি, United Airways-এর কাছে প্রায় ৩৯১ কোটি এবং Regent Airways-এর কাছে প্রায় ৪৫৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।
তিনটি বন্ধ airline মিলিয়েই বকেয়া প্রায় ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা।
বর্তমানে কার্যক্রমে থাকা Novoair-এর কাছেও প্রায় ১৩ কোটি টাকা পাওনার তথ্য রয়েছে। অন্যদিকে প্রকাশিত CAAB তথ্য অনুযায়ী US-Bangla Airlines ও Air Astra-এর কোনো outstanding dues ছিল না।
বন্ধ হয়ে যাওয়া airline-এর ক্ষেত্রে পাওনা আদায়ের সমস্যা আরও জটিল হতে পারে। দীর্ঘ সময় কার্যক্রম না থাকায় মূল বকেয়ার ওপর surcharge বাড়তে থাকলেও বাস্তবে অর্থ আদায়ের সক্ষমতা ও legal recovery process আলাদা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
বিমানের বকেয়া নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনার একটি কারণ হচ্ছে airlineটির সাম্প্রতিক profitability।
২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিমান ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে বলে উল্লেখ রয়েছে। আগের অর্থবছরে নিট মুনাফা ছিল প্রায় ২৮২ কোটি টাকা।
Revenue-এর ক্ষেত্রে প্রকাশিত তথ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
একটি CAAB dues-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে FY2024–25 revenue ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা বলা হয়েছে, অন্যদিকে পরবর্তী প্রতিবেদনে revenue ১১ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই audited financial statement-এর নির্দিষ্ট figure ছাড়া একটি অঙ্ককে চূড়ান্ত ধরে নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তবে মূল বিষয়টি অপরিবর্তিত—Biman profit report করলেও CAAB-এর কাছে তার accumulated dues কয়েক হাজার কোটি টাকা।
Accounting-এর দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানের মুনাফা থাকা এবং একই সময়ে বড় অঙ্কের payable বা outstanding liability থাকা অসম্ভব নয়।
Profit সাধারণত একটি নির্দিষ্ট accounting period-এর revenue ও expense-এর পার্থক্য নির্দেশ করে।
অন্যদিকে outstanding dues হচ্ছে আগে থেকে জমে থাকা আর্থিক দায়, যার একটি অংশ বহু বছরের হতে পারে।
ফলে ‘মুনাফা করেছে, তাই কোনো বকেয়া থাকার কথা নয়’—এমন সরল সমীকরণ ঠিক নয়।
তবে বড় অঙ্কের accumulated liability থাকলে সেই প্রতিষ্ঠানের cash flow, payment discipline এবং financial sustainability বিশ্লেষণে বকেয়ার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হাজার কোটি টাকার পাওনা দীর্ঘদিন unresolved থাকলে সেটি শুধু accounting issue নয়; public-sector financial management-এর প্রশ্নও তৈরি করে।
CAAB ছাড়াও রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সরবরাহকারী Padma Oil PLC-এর কাছে বিমানের বড় অঙ্কের পুরোনো পাওনা রয়েছে।
আগের হিসাবগুলোতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই বকেয়া প্রায় ১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা বলা হয়েছিল।
তবে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আরও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে Padma Oil-এর outstanding amount ১ হাজার ২৩২ কোটি ৭১ লাখ টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তের পর বিমান পুরোনো পাওনার বিপরীতে মাসিক অর্থ পরিশোধ করছে।
তাই বর্তমান পরিস্থিতি বোঝাতে ১,২৩২ কোটি টাকার সাম্প্রতিক অঙ্কটিই বেশি প্রাসঙ্গিক।
CAAB-এর প্রায় ৫,৮৪৩ কোটি এবং Padma Oil-এর প্রায় ১,২৩৩ কোটি মিলিয়ে এই দুই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাছেই বিমানের বকেয়া ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণেও এই দুই প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত পাওনা প্রায় ৭,০৭৫ কোটি টাকা বলা হয়েছে।
CAAB ও Padma Oil-এর পাওনার প্রকৃতি এক নয়।
CAAB-এর পাওনা মূলত airport, air-navigation এবং সংশ্লিষ্ট service charge ও surcharge থেকে এসেছে।
Padma Oil-এর পাওনা aircraft fuel সরবরাহের সঙ্গে সম্পর্কিত।
আবার CAAB-এর ৫,৮৪২ কোটি টাকার মধ্যেও principal, surcharge, VAT ও tax-এর বিভিন্ন component রয়েছে।
ফলে headline total দিয়ে আর্থিক দায়ের আকার বোঝা গেলেও settlement plan তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিটি component আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে।
বিমানের CAAB dues নতুন কোনো সমস্যা নয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি পুরোনো monitoring report-এও Biman-এর কাছে CAAB-এর পাওনা প্রায় ৩ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা এবং Padma Oil-এর পাওনা প্রায় ৯৭০ কোটি টাকা দেখানো হয়েছিল।
বর্তমান CAAB claim ৫,৮৪২ কোটি টাকার বেশি হওয়া দেখায় যে সমস্যাটি দীর্ঘমেয়াদি।
তবে পুরোনো ও বর্তমান অঙ্ক সরাসরি তুলনা করার সময় accounting period, surcharge এবং পরবর্তী payment বা adjustment বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
এভিয়েশন খাতের সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ মনে করেন, সরকারি ও বেসরকারি airline-এর outstanding dues আদায়ের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট ও ধারাবাহিক policy থাকা প্রয়োজন।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার (অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম পুরোনো বকেয়া নিয়ে airlineগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সমাধানের কথা বলেছেন।
প্রয়োজনে installment-based repayment arrangement করা যেতে পারে—যাতে CAAB ধীরে ধীরে পাওনা আদায় করতে পারে এবং একই সঙ্গে operational airline-এর ওপর এককালীন অতিরিক্ত financial pressure না পড়ে।
তবে কোন airline কী ধরনের repayment সুবিধা পাবে, সেটি transparent criteria-র ভিত্তিতে হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভিন্ন আচরণের অভিযোগ কমানো সম্ভব।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন airport service-এর outstanding dues আদায়ে সংস্থাটি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
CAAB-এর পক্ষ থেকে airlineগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও বকেয়া পরিশোধের তাগাদা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে তিনি জানান, আগস্ট পর্যন্ত বিমানের aeronautical ও non-aeronautical charge এবং surcharge মিলিয়ে পাওনা ৫ হাজার ৮৪২ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি।
তবে পাওনা আদায়ের আলোচনা চললেও Biman-এর CAAB dues-এর জন্য কোনো পূর্ণাঙ্গ repayment schedule চূড়ান্ত হয়েছে কি না—এমন তথ্য প্রকাশ্যে নিশ্চিত নয়।
Biman বর্তমানে বড় ধরনের fleet expansion programme নিয়ে এগোচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিকল্পনায় নতুন Boeing aircraft acquisition-এর পাশাপাশি অন্যান্য fleet option নিয়েও কাজ চলছে। একই সময়ে airlineটির CAAB ও Padma Oil-এর কাছে বড় accumulated liability রয়েছে।
Aircraft purchase সাধারণত বহু বছরের financing, delivery payment এবং operating-cost commitment তৈরি করে।
তাই নতুন aircraft কেনার সক্ষমতা শুধু একটি বছরে কত profit হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে না। Cash flow, existing liability, financing structure, route profitability, manpower এবং maintenance infrastructure—সবকিছুই দীর্ঘমেয়াদি fleet planning-এর অংশ।
এই প্রেক্ষাপটে CAAB-এর ৫,৮৪২ কোটি টাকার outstanding dues-এর নিষ্পত্তি Biman-এর সামগ্রিক financial planning-এর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
বেবিচক শুধু aviation regulator নয়; দেশের প্রধান airport infrastructure পরিচালনা ও উন্নয়নেও সংস্থাটির বড় ভূমিকা রয়েছে।
Airport maintenance, runway ও taxiway infrastructure, navigation facility, safety-security equipment এবং নতুন infrastructure development—সব ক্ষেত্রেই অর্থের প্রয়োজন হয়।
ফলে airline ও অন্যান্য service user-এর কাছ থেকে নিয়মিত charge আদায় CAAB-এর revenue management-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
হাজার কোটি টাকার পাওনা দীর্ঘদিন আটকে থাকলে সেটি আদায় করা গেলে airport infrastructure ও operational investment-এর জন্য CAAB-এর আর্থিক সক্ষমতা বাড়তে পারে।
তবে নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্প এই বকেয়া আদায়ের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল—এমন সিদ্ধান্ত আলাদা বাজেট বা প্রকল্প নথি ছাড়া দেওয়া ঠিক হবে না।
Biman-এর CAAB dues এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে শুধু নিয়মিত তাগাদা নয়, দীর্ঘমেয়াদি settlement mechanism-এর প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
একদিকে Biman একটি operational national carrier এবং বড় fleet expansion-এর পথে রয়েছে। অন্যদিকে CAAB-এরও নিজের infrastructure, regulatory এবং airport-operation expenditure রয়েছে।
তাই মূল পাওনা, surcharge, tax component এবং পুরোনো disputed বা reconciled amount আলাদা করে একটি স্বচ্ছ settlement framework তৈরি করা গেলে প্রকৃত liability কত এবং কীভাবে তা পরিশোধ হবে—সেটি আরও পরিষ্কার হতে পারে।
বর্তমান হিসাবে একটি বিষয় স্পষ্ট—২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একাই CAAB-এর কাছে ৫ হাজার ৮৪২ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি পাওনার জন্য দায়বদ্ধ বলে CAAB-এর হিসাব দেখাচ্ছে, যা পাঁচ দেশীয় airline-এর মোট বকেয়ার সিংহভাগ।
বিমান নিয়মিত মুনাফা ও বড় fleet expansion-এর দিকে এগোনোর কথা বলছে; এখন নজর থাকবে পুরোনো এই বিপুল আর্থিক দায় নিষ্পত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এবং CAAB কী ধরনের বাস্তবসম্মত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা নেয়।
সূত্র: বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ
মন্তব্য করুন