এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধের কারণে বিভিন্ন বিমান সংস্থার সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ১০০টি ফ্লাইট এবং ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রী এ পরিস্থিতির কারণে প্রভাবিত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪১টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৫৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা সীমিত থাকায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থার ফ্লাইট কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে। এতে সরাসরি সৌদিগামী ফ্লাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে যাতায়াতকারী ট্রানজিট ফ্লাইটের যাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়েছেন।
প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী চারটি বিমান সংস্থার মোট ৪১টি ফ্লাইট প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৭টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে।
সরাসরি ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কার্যক্রমে। এরপর রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। দুই বাংলাদেশি বিমান সংস্থার মোট ২৭টি ফ্লাইট এ পরিস্থিতির কারণে প্রভাবিত হয়েছে।
সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটের মোট ৫৯টি ট্রানজিট ফ্লাইটও প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের ২২টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, সালামএয়ারের ৭টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৭টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ২টি এবং ইজিপ্টএয়ারের ১টি ফ্লাইট রয়েছে।
ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে ইন্ডিগো এয়ারলাইনস। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এমিরেটস। এই দুই বিমান সংস্থার মোট ৩৬টি ট্রানজিট ফ্লাইট প্রভাবিত হয়েছে।
সর্বশেষ প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে মোট ১০০টি ফ্লাইটে ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রী প্রভাবিত হয়েছেন। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৪১টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৫৯টি।
তবে প্রভাবিত ফ্লাইটগুলোর কতটি বাতিল হয়েছে, কতটি বিলম্বিত হয়েছে কিংবা কতটি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে পৃথক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনার বিধিনিষেধ কতদিন বহাল থাকবে, তাও প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি।
সূত্র: বেবিচক
মন্তব্য করুন