এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
ওমরা ও ট্যুরিস্ট ভিসার অপব্যবহার করে বাংলাদেশিদের মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপে পাঠানোর অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের কার্যক্রম তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেন্দ্রিক এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একজন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
অভিযোগের পর বেবিচকের অ্যারোড্রাম অপারেটর আব্দুল বারী মোল্লার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হওয়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য নয়। এখন পর্যন্ত আব্দুল বারী মোল্লার বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগে আদালতের কোনো দোষী সাব্যস্ত করার তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর বিদেশযাত্রার আগে চার যাত্রীকে ইমিগ্রেশন পুলিশ offload করার পর ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়।
যাত্রীদের ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে গিয়ে একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
পরবর্তী অনুসন্ধানে ওমরা ও tourist visa ব্যবহার করে যাত্রীদের মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠানো এবং সেখান থেকে অনিয়মিত পথে ইউরোপে নেওয়ার পরিকল্পনাসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে বলে সূত্রগুলোর দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বৈধ ভিসা ব্যবহার করা হলেও ভ্রমণের ঘোষিত উদ্দেশ্যের সঙ্গে যাত্রীর প্রকৃত পরিকল্পনার মিল ছিল না। আবার জাল বা সন্দেহজনক visa document ব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে, প্রথমে যাত্রীদের বৈধ বা জাল ওমরা এবং tourist visa ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হতো।
এরপর কাতার, মিসর বা সিরিয়াসহ বিভিন্ন transit point ব্যবহার করে তাদের ইউরোপের দিকে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হতো বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
কিছু ক্ষেত্রে সমুদ্রপথে ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হতো বলেও সূত্রগুলোর দাবি।
তবে কোন যাত্রী ঠিক কোন route ব্যবহার করেছেন, কতজন শেষ পর্যন্ত ইউরোপে পৌঁছেছেন এবং বর্ণিত প্রতিটি route বাস্তবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফল এখনো প্রকাশিত হয়নি।
ফলে এসব পথকে প্রতিষ্ঠিত ‘মানবপাচার রুট’ হিসেবে না দেখে তদন্তে উঠে আসা তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।
গোয়েন্দা ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বেবিচকের অ্যারোড্রাম অপারেটর আব্দুল বারী মোল্লার নাম সামনে আসে।
অভিযোগ রয়েছে, বিমানবন্দরে কর্মরত থাকার সুযোগ ব্যবহার করে তিনি কয়েকটি travel agency, immigration-সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো তাকে নেটওয়ার্কটির একজন ‘সমন্বয়কারী’ হিসেবে সন্দেহ করছে।
তাদের দাবি, কোনো কোনো সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ জন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে আরও বেশি যাত্রী পাঠানোর তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে এসব সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ভূমিকা এখনো তদন্তাধীন। কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের সিদ্ধান্ত ছাড়া তাকে মানবপাচার চক্রের সদস্য হিসেবে নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করা সমীচীন নয়।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ মার্চ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ওই সময় পাঁচ বিদেশগামী ব্যক্তিকে আটক করে তাদের ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও কাগজপত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সূত্রগুলোর দাবি, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসরণ করেই তদন্তকারীরা সম্ভাব্য নেটওয়ার্কটির বিভিন্ন যোগাযোগের বিষয়ে জানতে পারেন।
তবে আটক ওই পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে কোনো মামলা হয়েছে কি না কিংবা তাদের কেউ মানবপাচারের শিকার হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন কি না—সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
তদন্তে সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ৩০ মার্চের অভিযানের সময় আব্দুল বারী মোল্লা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিমানবন্দরের একটি ক্যান্টিনে রেখে দেন বা লুকিয়ে রাখেন।
পরে CCTV footage পর্যালোচনা করে ফোনটির অবস্থান শনাক্ত এবং সেটি উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
তাদের ভাষ্য, ফোনটি পরীক্ষা করে passport, airline ticket, বিভিন্ন code number এবং একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে মোবাইল থেকে পাওয়া তথ্যের forensic examination, chain of custody কিংবা কোন তথ্য সরাসরি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত—এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
ফলে মোবাইল উদ্ধারের অভিযোগ এবং সেখান থেকে পাওয়া তথ্যও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মার্চের অভিযানের পর কিছুদিন কার্যক্রম সীমিত থাকলেও পরে সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কটি আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে।
গত ৫ জুলাই জাল বা সন্দেহজনক ভিসায় মালয়েশিয়াগামী কয়েকজন যাত্রীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে একই নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে দুটি ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
তাই মালয়েশিয়াগামী যাত্রীদের ঘটনাটিকে আগের নেটওয়ার্কের নিশ্চিত অংশ হিসেবে নয়, তদন্তকারীদের খতিয়ে দেখা সম্ভাব্য সংযোগ হিসেবে উল্লেখ করাই যথাযথ।
তদন্তের পরিধি শুধু একজন কর্মকর্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তাদের দাবি, যাত্রী সংগ্রহ, visa ও ticket arrangement, airport coordination এবং বিভিন্ন code বা তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে একাধিক travel agency এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কিছু ব্যক্তির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কয়েকটি airline-এর কিছু কর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্তে এসেছে বলে সূত্রগুলোর দাবি।
তবে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট airline বা travel agency-কে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করা হয়নি।
ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো প্রতিষ্ঠানকে মানবপাচার নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ নেই।
কোনো যাত্রীর passport-এ বৈধ visa থাকলেই তার আন্তর্জাতিক যাত্রা সব পরিস্থিতিতে নিশ্চিত হয়ে যায় না।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ যাত্রীর ভ্রমণের উদ্দেশ্য, return ticket, প্রয়োজনীয় supporting document এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করতে পারে। কোনো নথির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে বা সম্ভাব্য trafficking victim হিসেবে কাউকে শনাক্ত করা হলে আরও যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষ করে tourist বা religious visa ব্যবহার করে অন্য দেশে গিয়ে অনিয়মিতভাবে কাজ করা বা তৃতীয় দেশে প্রবেশের পরিকল্পনা থাকলে যাত্রী নিজেও বড় ধরনের আইনি ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
তবে offload হওয়া মানেই কোনো যাত্রী মানবপাচারে জড়িত—এমনটিও নয়। প্রতিটি ঘটনার পরিস্থিতি ও নথি আলাদাভাবে যাচাই প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে passenger processing কয়েকটি আলাদা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
Airline check-in, travel document verification, immigration clearance, aviation security এবং boarding—প্রতিটি পর্যায়ে ভিন্ন দায়িত্ব রয়েছে।
এ ধরনের বহুস্তরীয় ব্যবস্থায় কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সফলভাবে দীর্ঘদিন কাজ করে থাকলে তাদের airport insider assistance ছিল কি না—সেটি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞ শরিফুল হাসান মনে করেন, বিমানবন্দর ব্যবহার করে মানবপাচারের অভিযোগ নতুন নয়। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।
তদন্তে যেসব তথ্য পাওয়া যাবে, তার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর অর্থ, কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি প্রশাসনিকভাবে পরীক্ষা করছে। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট service rules অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকে। আর কোনো ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সেটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পৃথক তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার বিষয় হতে পারে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম জানিয়েছেন, মানবপাচার প্রতিরোধে বিমান সতর্ক রয়েছে।
কোনো কর্মীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এই বক্তব্য থেকে এখন পর্যন্ত বিমানের কোনো কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানিয়েছেন, বিমানবন্দর ব্যবহার করে মানবপাচারের ঘটনা ঘটতে পারে, তবে যাত্রীদের travel document যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর।
বিষয়টি নিয়ে একাধিক সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন কর্মকর্তাও নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ চলছে।
পুরো ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে তদন্তে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে—অফলোড হওয়া যাত্রীদের visa ও travel document-এর প্রকৃত অবস্থা কী ছিল, কথিত নেটওয়ার্কের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ আছে কি না, মোবাইল ফোনের forensic examination-এ কী পাওয়া গেছে এবং বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মী নিজের access বা পদমর্যাদা ব্যবহার করে যাত্রী পারাপারে সহায়তা করেছেন কি না।
একই সঙ্গে alleged code system কীভাবে কাজ করত বলে তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন এবং সেটির সঙ্গে কোনো airline, travel agency বা immigration-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগাযোগের প্রমাণ রয়েছে কি না—সেটিও তদন্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মানবপাচারে দোষী হিসেবে চিহ্নিত না করা।
বর্তমানে নিশ্চিত বিষয় হচ্ছে—বেবিচক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত করছে এবং আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য মানবপাচার নেটওয়ার্কের তথ্য যাচাই করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তার পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সূত্র: বেবিচক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইমিগ্রেশন ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র
মন্তব্য করুন