বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী, সমন্বিত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (NCASC) চৌদ্দতম সভা ৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সকাল ১১টায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি। সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।
সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “দেশের বিমান খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। খুব শিগগিরই ICAO-এর নিরাপত্তা অডিট অনুষ্ঠিত হবে। সেই অডিটে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই ICAO-এর সম্ভাব্য পর্যবেক্ষণগুলো আগেভাগেই চিহ্নিত করে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি বলেন, “ভিআইপি, সিআইপি বা সাধারণ যাত্রী—সবার জন্য নিরাপত্তা প্রোটোকল একই। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের ব্যতিক্রম গ্রহণযোগ্য নয়।” একই সঙ্গে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আরও উন্নত, দ্রুত ও মানসম্মত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান জোরদার, ICAO-এর নিরাপত্তা মানদণ্ড বাস্তবায়ন, বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা জোরদার, Under Vehicle Scanning System (UVSS)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি, সকল বিমানবন্দরে Contingency ও Crisis Management কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) প্রণয়ন এবং বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় ট্রাফিক জট, অনিয়ন্ত্রিত লোকসমাগম, অবৈধ লাগেজ র্যাপিং ও যাত্রী হয়রানি প্রতিরোধে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন