এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জেদ্দাগামী একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট দীর্ঘ সময় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন ৪১৯ জন যাত্রী। তাদের অধিকাংশই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাচ্ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-২৩৫ ফ্লাইটটি সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে সিলেট থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল।
নির্ধারিত সময়ে যাত্রী নিয়ে উড়োজাহাজটি departure-এর প্রস্তুতি শুরু করে এবং runway-এর দিকে যায়। তবে উড্ডয়নের আগে পাইলট technical problem শনাক্ত করলে নিরাপত্তার স্বার্থে take-off বাতিল করে উড়োজাহাজটিকে terminal-এ ফিরিয়ে আনা হয়।
এরপর প্রকৌশলীরা aircraft পরীক্ষা ও ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু করেন।
সংবাদ লেখা পর্যন্ত প্রায় আট ঘণ্টা পার হলেও flightটি সিলেটেই অবস্থান করছিল এবং নতুন departure time নিশ্চিত করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, BG-235 যাত্রী নিয়ে স্বাভাবিকভাবে departure process শুরু করেছিল।
কিন্তু take-off-এর আগে technical abnormality ধরা পড়ায় pilot aircraftটি উড্ডয়ন না করানোর সিদ্ধান্ত নেন।
Commercial aviation-এ take-off-এর আগে কোনো technical indication পাওয়া গেলে সেটির ধরন ও গুরুত্ব যাচাই না করে flight পরিচালনা করা হয় না। প্রয়োজন অনুযায়ী aircraft terminal বা parking position-এ ফিরিয়ে engineering inspection করা হয়।
BG-235-এর ক্ষেত্রেও সেটিই করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমান।
তবে ঠিক কোন aircraft system বা component-এ ত্রুটি দেখা দিয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত technical information প্রকাশ করা হয়নি।
ফলে সমস্যাটির প্রকৃতি বা গুরুত্ব সম্পর্কে অনুমান করার সুযোগ নেই।
ফ্লাইটটিতে মোট ৪১৯ জন যাত্রী ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তাদের অধিকাংশের গন্তব্য ছিল সৌদি আরব এবং তারা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
ফ্লাইটের departure অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য পিছিয়ে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক যাত্রীকে terminal-এ অপেক্ষা করতে হয়।
দীর্ঘ অপেক্ষা, বিশ্রামের সীমিত সুযোগ এবং flight কখন ছাড়বে সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি করে।
বিশেষ করে প্রবীণ যাত্রীদের শারীরিক কষ্টের অভিযোগ সামনে এসেছে।
কয়েকজন যাত্রীর দাবি, দীর্ঘ সময় airport-এ অপেক্ষার কারণে কিছু বয়স্ক যাত্রী অসুস্থ বোধ করেন। তবে কতজন চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন বা কারও হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিয়ানীবাজারের বাসিন্দা যাত্রী তেরাব আলী খান aircraft-এর technical inspection নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তার বক্তব্য, উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকলে নিয়মিত safety check-এর সময় সেটি কেন শনাক্ত হয়নি, সে বিষয়ে যাত্রীদের পরিষ্কারভাবে জানানো প্রয়োজন।
দীর্ঘ অপেক্ষায় বিশেষ করে প্রবীণ যাত্রীরা শারীরিকভাবে কষ্ট পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
যাত্রীর এই প্রশ্ন স্বাভাবিক হলেও aircraft maintenance-এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ technical বিষয় রয়েছে।
একটি commercial aircraft flight-এর আগে বিভিন্ন ধরনের inspection ও system check-এর মধ্য দিয়ে যায়।
কিন্তু aircraft-এর সব technical fault স্থির অবস্থায় বা routine pre-flight inspection-এ দৃশ্যমান হয় না।
কিছু সমস্যা engine start করার পর, কিছু নির্দিষ্ট system চালু হলে, aircraft taxi করার সময় অথবা cockpit monitoring system-এর মাধ্যমে operation-এর নির্দিষ্ট পর্যায়ে প্রথম প্রকাশ পেতে পারে।
আবার কোনো component pre-flight check-এর সময় স্বাভাবিকভাবে কাজ করলেও পরবর্তী সময়ে fault indication দিতে পারে।
তাই runway-এর কাছাকাছি গিয়ে technical fault শনাক্ত হওয়া থেকে সরাসরি এই সিদ্ধান্তে আসা যায় না যে pre-flight inspection যথাযথভাবে করা হয়নি।
একইভাবে fault-এর ধরন না জেনে maintenance error ছিল কি না, সেটিও বলা সম্ভব নয়।
এই ঘটনার প্রকৃত technical কারণ জানতে engineering inspection-এর ফল প্রয়োজন।
এভিয়েশন safety system এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে aircraft-এর operation-এর বিভিন্ন পর্যায়ে সমস্যা শনাক্ত করার সুযোগ থাকে।
Pilot cockpit indication, warning, abnormal system behaviour বা অন্য কোনো technical concern পেলে take-off-এর আগে flight বাতিল করতে পারেন।
Aircraft runway-তে পৌঁছে গেলেও take-off শুরু করার আগে safety concern তৈরি হলে সেটিকে ফিরিয়ে আনা স্বাভাবিক precautionary procedure-এর অংশ হতে পারে।
BG-235-এর ক্ষেত্রে technical concern শনাক্ত হওয়ার পর aircraft উড্ডয়ন না করিয়ে terminal-এ ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
অর্থাৎ delay যাত্রীদের জন্য বড় দুর্ভোগ তৈরি করলেও unresolved technical problem নিয়ে aircraftটি আকাশে না তোলাই ছিল নিরাপত্তার দিক থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিলেট জেলা ব্যবস্থাপক শরীফুল আলম জানিয়েছেন, technical problem-এর কারণেই flightটি বিলম্বিত হয়েছে।
স্থানীয় engineering team aircraft পরীক্ষা এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।
প্রয়োজনে ঢাকা অথবা অন্য station থেকে অতিরিক্ত engineer বা technical support আনার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
তবে repair কখন শেষ হবে এবং aircraft কখন flight-এর জন্য serviceable ঘোষণা করা যাবে—সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
Aircraft technical fault-এর ক্ষেত্রে repair time অনেকটাই নির্ভর করে সমস্যাটির ধরনের ওপর।
কোনো fault troubleshooting বা system reset-এর মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। আবার কোনো component পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে compatible spare part সংগ্রহ করতে হতে পারে।
এরপর engineering procedure অনুযায়ী repair, inspection ও প্রয়োজনীয় functional test সম্পন্ন করতে হয়।
সবশেষে aircraft operationally serviceable বা airworthy কি না নিশ্চিত হওয়ার পরই flight release করা যায়।
এই কারণে fault diagnosis শেষ হওয়ার আগে airline-এর পক্ষে নির্ভুল departure time দেওয়া কঠিন হতে পারে।
তবে দীর্ঘ delay-এর ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিয়মিত update দেওয়া passenger handling-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
দীর্ঘ delay-এর পর যাত্রীদের accommodation নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, একসঙ্গে ৪১৯ জনের জন্য তাৎক্ষণিক hotel accommodation নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে বিকল্প ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছিল।
বিপুলসংখ্যক যাত্রীর জন্য একই সময়ে hotel room, airport-hotel transport এবং প্রয়োজনীয় logistics আয়োজন করা স্বাভাবিকভাবেই জটিল হতে পারে।
তবে delay দীর্ঘ হলে বিশেষ করে elderly passenger, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি এবং বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন এমন যাত্রীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক assistance গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘ অপেক্ষার একপর্যায়ে কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তাদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
Flight কখন ছাড়বে সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া এবং দীর্ঘ সময় airport-এ অপেক্ষা করতে হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ে।
এ ধরনের disruption-এ শুধু খাবার বা accommodation নয়, communication management-ও গুরুত্বপূর্ণ।
যাত্রীদের নির্দিষ্ট বিরতিতে জানানো প্রয়োজন—aircraft-এর সর্বশেষ অবস্থা কী, engineering work কোন পর্যায়ে, পরবর্তী update কখন দেওয়া হবে এবং সম্ভাব্য বিকল্প কী।
নির্দিষ্ট departure time জানা না গেলেও পরবর্তী information update-এর সময় জানিয়ে দেওয়া অনিশ্চয়তা কিছুটা কমাতে পারে।
BG-235-এর অধিকাংশ যাত্রী ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে জেদ্দা যাচ্ছিলেন বলে দীর্ঘ delay-এর প্রভাব সাধারণ point-to-point journey-এর চেয়ে বেশি হতে পারে।
ওমরাহযাত্রীদের অনেকের hotel booking, ground transportation এবং group itinerary আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে।
Flight দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হলে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর এসব booking ও schedule পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষ করে group travel-এর ক্ষেত্রে কয়েকশ যাত্রীর itinerary একসঙ্গে পরিবর্তিত হলে সংশ্লিষ্ট travel বা Umrah operator-এর সঙ্গেও coordination প্রয়োজন হতে পারে।
দীর্ঘ flight delay-এর ক্ষেত্রে যাত্রীদের boarding pass, ticket বা e-ticket, airline-এর delay notification এবং প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত খরচের receipt সংরক্ষণ করা ভালো।
পরবর্তীতে airline, travel agent বা insurance provider-এর কাছে কোনো reimbursement বা claim করার সুযোগ থাকলে এসব document প্রয়োজন হতে পারে।
তবে BG-235-এর যাত্রীরা নির্দিষ্ট কোনো compensation পাবেন কি না, সেটি applicable regulation, ticket conditions এবং delay-এর circumstances-এর ওপর নির্ভর করবে।
সুনির্দিষ্ট নিয়ম যাচাই ছাড়া compensation নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
BG-235-এর ঘটনাটি aviation operation-এর দুটি আলাদা দায়িত্ব সামনে এনেছে।
প্রথমটি aircraft safety।
Technical fault পুরোপুরি পরীক্ষা না করে aircraft উড্ডয়ন না করানোই নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।
দ্বিতীয়টি passenger care।
একটি wide-body international flight-এর ৪১৯ যাত্রী আট ঘণ্টা বা তার বেশি সময় আটকে থাকলে তাদের খাবার, পানি, বিশ্রাম, প্রয়োজনীয় ওষুধ, special assistance এবং নিয়মিত তথ্য নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বিশেষ করে প্রবীণ ওমরাহযাত্রীর সংখ্যা বেশি থাকলে passenger handling-এর প্রয়োজন আরও বাড়ে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রয়োজনীয় technical inspection ও repair শেষ হওয়ার পর aircraft flight-এর জন্য উপযোগী নিশ্চিত হলেই BG-235 জেদ্দার উদ্দেশে রওনা হবে।
সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত নতুন departure schedule নিশ্চিত করা হয়নি।
ফলে এখন মূল নজর থাকবে aircraft-এর technical fault কত দ্রুত সমাধান হয় এবং আটকে থাকা ৪১৯ যাত্রীর জন্য airline কী ধরনের assistance নিশ্চিত করে তার ওপর।
যাত্রীদের দীর্ঘ দুর্ভোগের দ্রুত অবসান গুরুত্বপূর্ণ, তবে একই সঙ্গে unresolved technical concern নিয়ে flight পরিচালনা না করাও aviation safety-এর মৌলিক শর্ত।
সূত্র: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
মন্তব্য করুন