এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের এয়ারলাইনগুলো আগস্টে ৩ কোটি ৩৫ লাখ আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কম। Association of Asia Pacific Airlines (AAPA)-এর প্রাথমিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
যাত্রীসংখ্যা সামান্য কমলেও Revenue Passenger Kilometres (RPK) হিসাবে আন্তর্জাতিক যাত্রী চাহিদা ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে আসন সক্ষমতা ১ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ায় গড় আন্তর্জাতিক Passenger Load Factor শূন্য দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে ৮৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে।
AAPA জানিয়েছে, উচ্চ জেট ফুয়েল মূল্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত আকাশসীমার বিধিনিষেধের কারণে কিছু এয়ারলাইন সক্ষমতা কমিয়েছে। বাড়তি ভাড়াও মূল্যসংবেদনশীল যাত্রীদের চাহিদায় প্রভাব ফেলেছে। তবে এশিয়া–ইউরোপসহ দূরপাল্লার রুটে চাহিদা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল।
আগস্টে আন্তর্জাতিক এয়ার কার্গো চাহিদা ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধি এবং AI-সংশ্লিষ্ট পণ্যের শক্তিশালী চাহিদা এতে সহায়তা করেছে। তবে কার্গো সক্ষমতা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়ায় গড় Freight Load Factor কমে ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে অঞ্চলটির এয়ারলাইনগুলো মোট ২৫ কোটি ৯৩ লাখ আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন করেছে, যা বছরওয়ারি ২ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে আন্তর্জাতিক কার্গো চাহিদা বেড়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।
AAPA বলছে, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বাণিজ্য কার্যক্রম যাত্রী ও কার্গো চাহিদাকে সহায়তা করবে। তবে উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, দুর্বল এশীয় মুদ্রা, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বাণিজ্যনীতির পরিবর্তন বছরের বাকি সময়ে এয়ারলাইনগুলোর জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
সূত্র: Association of Asia Pacific Airlines (AAPA)
মন্তব্য করুন