aviation
প্রকাশিত: 3 October 2026, 2:19:08 Pm
অনলাইন সংস্করণ

আধুনিক অবকাঠামো থাকলেও যশোর বিমানবন্দরে ফ্লাইট সংকট, নতুন সম্ভাবনা খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা

এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক

একসময় ঢাকা–যশোর আকাশপথ ছিল দেশের ব্যস্ততম অভ্যন্তরীণ বিমান রুটগুলোর একটি। প্রতিদিন বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ১৪ থেকে ১৮টি পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল করত এই রুটে। কিন্তু যাত্রীচাহিদার বড় পরিবর্তনে সেই চিত্র এখন প্রায় উল্টো। বর্তমানে যশোর থেকে ঢাকায় নিয়মিত ফ্লাইট নেমে এসেছে সপ্তাহে মাত্র দুটিতে।

যাত্রী সংকট ও বাণিজ্যিকভাবে রুট পরিচালনার চাপের মধ্যে বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সম্প্রতি ঢাকা–যশোর রুটে তিন মাসের জন্য ফ্লাইট স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে নভোএয়ারও এই রুট থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়।

ফলে বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সই ঢাকা–যশোর রুটে সীমিত যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করছে। মঙ্গলবার ও শুক্রবার—সপ্তাহে দুই দিন ফ্লাইট থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানবন্দরের নিয়মিত যাত্রী কার্যক্রম এখন অনেকটাই সংকুচিত।

পদ্মা সেতুর পর বদলে গেছে যাতায়াতের হিসাব

ঢাকা–যশোর রুটে বিমানযাত্রার চাহিদা কমার পেছনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি এসেছে স্থল যোগাযোগে।

পদ্মা সেতু চালুর আগে ঢাকা থেকে যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সড়কপথে যেতে ফেরি পারাপারের ওপর নির্ভর করতে হতো। যানজট, ফেরির অপেক্ষা এবং আবহাওয়ার কারণে যাত্রার সময় নিয়েও অনিশ্চয়তা ছিল।

সে সময় আকাশপথ অনেক যাত্রীর জন্য উল্লেখযোগ্য সময় সাশ্রয়ের সুযোগ দিত।

পদ্মা সেতু চালুর পর সেই সমীকরণ বদলে গেছে। ঢাকা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। রেল যোগাযোগের উন্নয়নও যাত্রীদের সামনে বিকল্প বাড়িয়েছে।

ফলে যশোরের মতো তুলনামূলক স্বল্প দূরত্বের domestic air route-এ বিমানযাত্রার সময় সাশ্রয়ের সুবিধা আগের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

শুধু ৪০ মিনিটের ফ্লাইট দিয়ে সময়ের হিসাব হয় না

ঢাকা থেকে যশোরের actual flight time তুলনামূলক কম হলেও একজন যাত্রীর পুরো journey time শুধু আকাশে কাটানো সময় নয়।

বিমান ধরতে যাত্রীকে আগে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে হয়। এরপর check-in, security screening, boarding এবং গন্তব্যে পৌঁছে airport থেকে শহর বা চূড়ান্ত গন্তব্যে যাওয়ার সময়ও যোগ হয়।

অন্যদিকে সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে একজন যাত্রী শহরের সুবিধাজনক স্থান থেকে সরাসরি বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাত্রা শুরু করতে পারেন।

ফলে স্বল্প দূরত্বের route-এ ‘flight time’ এবং ‘door-to-door travel time’-এর পার্থক্য কমে গেলে air travel-এর competitive advantage-ও কমে যায়।

ভাড়ার ব্যবধানও বড়

সময় ছাড়াও যাত্রীদের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে ভাড়া।

বর্তমানে ঢাকা–যশোর রুটে একমুখী বিমান টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া প্রায় ৫ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যাত্রার তারিখ, booking time এবং seat availability অনুযায়ী ভাড়া আরও বেশি হতে পারে।

অন্যদিকে উন্নতমানের air-conditioned bus-এ প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে যশোরে যাওয়া সম্ভব।

অর্থাৎ একজন যাত্রীর ক্ষেত্রে ব্যবধান কয়েক হাজার টাকা হলেও পরিবার নিয়ে ভ্রমণের সময় মোট ব্যয়ের পার্থক্য আরও বড় হয়ে যায়।

এই price sensitivity স্বল্প দূরত্বের domestic route-এর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

যে যাত্রী business meeting, জরুরি কাজ বা সময়ের কারণে দ্রুত পৌঁছাতে চান, তার কাছে বিমান এখনো সুবিধাজনক হতে পারে। কিন্তু leisure, family বা price-sensitive passenger-এর কাছে road ও rail ক্রমেই বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে।

ইউএস-বাংলাও সাময়িকভাবে সরিয়ে নিল ফ্লাইট

দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি carrier ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা–যশোর route-এ দীর্ঘদিন ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

কিন্তু পর্যাপ্ত passenger demand না থাকায় ধারাবাহিকভাবে flight operation বাণিজ্যিকভাবে টেকসই রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ অবস্থায় এয়ারলাইনটি তিন মাসের জন্য route-এ flight operation স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এটিকে স্থায়ীভাবে যশোর route বন্ধ করে দেওয়া হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তিন মাসের suspension-এর পর demand ও commercial viability পর্যালোচনা করে airlineটি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হবে।

এর আগে Novoair-ও যশোর route থেকে সরে যাওয়ায় প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

কম ফ্লাইট আবার যাত্রীও কমাতে পারে

এখানে একটি বিপরীত সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

যাত্রী কম থাকলে airline frequency কমায়। কিন্তু frequency খুব কমে গেলে যাত্রীদের কাছে air travel-এর সুবিধাও কমে যায়।

উদাহরণ হিসেবে, একজন যাত্রীর জরুরি প্রয়োজনে বুধবার যশোর থেকে ঢাকা যেতে হলে সপ্তাহে শুধু মঙ্গলবার ও শুক্রবার flight থাকলে বিমান তার প্রয়োজন মেটাতে পারবে না।

তখন তিনি স্বাভাবিকভাবেই bus, train বা private transport বেছে নেবেন।

অর্থাৎ demand কমায় frequency কমে, আবার কম frequency-র কারণে air travel-এর attractiveness আরও কমে যেতে পারে।

Regional aviation-এ এই cycle ভাঙাই বড় challenge।

বড় অবকাঠামো, কিন্তু ব্যবহার কতটা

যশোর বিমানবন্দর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ aviation infrastructure।

বিমানবন্দরটির terminal facility, runway এবং অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাত্রী ও flight movement বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করেই capacity development করা হয়েছিল।

কিন্তু infrastructure তৈরি হলেই passenger demand স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয় না।

Airport capacity এবং airline route economics—দুটি আলাদা বিষয়।

একটি airport technical ও infrastructural দিক থেকে বেশি flight পরিচালনায় সক্ষম হলেও airline-এর জন্য সেই route-এ পর্যাপ্ত passenger, acceptable airfare এবং sustainable load factor না থাকলে নিয়মিত commercial flight ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।

যশোর এখন সেই বাস্তবতারই একটি উদাহরণ।

সমাধান কি শুধু ঢাকা–যশোর ফ্লাইট বাড়ানো?

বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু আগের মতো ঢাকা–যশোর frequency ফিরিয়ে আনার চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নাও হতে পারে।

কারণ যাত্রীদের travel behaviour যদি স্থায়ীভাবে পরিবর্তিত হয়ে থাকে, তাহলে পুরোনো demand pattern ধরে নতুন flight বসালে airline-এর commercial risk বাড়তে পারে।

বরং যশোর বিমানবন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হলে প্রশ্নটি হতে পারে—ঢাকার বাইরে আর কোথায় demand তৈরি করা সম্ভব?

যশোর থেকে চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারের মতো domestic destination-এ সরাসরি flight-এর বাজার আছে কি না, সেটি market study করে দেখা যেতে পারে।

বর্তমানে এসব গন্তব্যে স্থলপথে যেতে উল্লেখযোগ্য সময় প্রয়োজন। ফলে ঢাকা–যশোরের তুলনায় direct air connectivity সেখানে বেশি time advantage তৈরি করতে পারে।

তবে market survey, passenger volume ও airline economics যাচাই ছাড়া নতুন route বাণিজ্যিকভাবে সফল হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

যশোর কি হতে পারে আঞ্চলিক কার্গো হাব?

Passenger flight-এর বাইরে যশোর বিমানবন্দরের আরেকটি সম্ভাবনা রয়েছে air cargo-তে।

যশোর ও আশপাশের অঞ্চল দেশের ফুল, সবজি, মাছ ও চিংড়িসহ বিভিন্ন কৃষি ও মৎস্যপণ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনকেন্দ্র।

এসবের একটি অংশ সময়-সংবেদনশীল বা perishable product।

বিশেষ করে fresh flower, vegetable, fish ও shrimp-এর মতো পণ্যের ক্ষেত্রে দ্রুত transportation supply chain-এর মূল্য বাড়াতে পারে।

এই জায়গায় যশোরে কার্যকর air-cargo ecosystem গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে feasibility study করা যেতে পারে।

তবে শুধু runway ও terminal থাকলেই cargo hub তৈরি হয় না।

Cargo hub করতে আর কী লাগবে

International-standard perishable cargo operation চালাতে airport-এর পাশাপাশি একটি পূর্ণ supply chain প্রয়োজন।

এর মধ্যে cold storage, temperature-controlled handling, cargo screening, customs clearance, quarantine বা সংশ্লিষ্ট certification, warehouse, refrigerated transport এবং নির্ভরযোগ্য flight capacity থাকতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পর্যাপ্ত cargo volume।

কারণ cargo aircraft বা passenger aircraft-এর belly capacity নিয়মিত ব্যবহার করতে না পারলে air freight cost প্রতিযোগিতামূলক রাখা কঠিন।

তাই যশোরকে cargo hub করার ধারণাটি সম্ভাবনাময় হলেও প্রথমে জানতে হবে—এই অঞ্চলে প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে air transport-এর উপযোগী কত টন পণ্য পাওয়া যাবে এবং কোন destination-এ তার commercial demand রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বাজার যাচাই ছাড়া নয়

যশোর থেকে আন্তর্জাতিক flight চালুর সম্ভাবনার কথাও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বড় জনগোষ্ঠী বিদেশে কর্মরত এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গেও যুক্ত। ফলে নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক destination-এর direct connectivity-এর সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

কিন্তু একটি airport-কে international operation-এর উপযোগী করতে passenger demand-এর পাশাপাশি immigration, customs, security, ground handling এবং international regulatory requirement পূরণ করতে হয়।

এরপরও airline-এর জন্য route profitability নিশ্চিত হতে হবে।

তাই ‘যশোর থেকে আন্তর্জাতিক flight’ একটি সম্ভাব্য development option হতে পারে, কিন্তু এটিকে নিশ্চিত বা তাৎক্ষণিক সমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

পদ্মা সেতু কি বিমানবন্দরের প্রতিদ্বন্দ্বী?

পদ্মা সেতুর কারণে যশোরের air passenger demand কমেছে—এমন আলোচনা থাকলেও infrastructure development-কে সরাসরি একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যায় না।

সড়ক, রেল ও বিমান—তিনটিরই আলাদা market segment রয়েছে।

Road connectivity উন্নত হওয়ায় short-haul aviation-এর traditional passenger base কমতে পারে। কিন্তু একই উন্নত সড়ক যোগাযোগ airport-এর catchment area-ও বাড়াতে পারে।

যদি যশোর থেকে এমন destination-এ flight চালু হয় যেখানে road journey অনেক দীর্ঘ, তাহলে আশপাশের জেলা থেকেও যাত্রী দ্রুত সড়কপথে যশোর বিমানবন্দরে এসে flight ধরতে পারেন।

অর্থাৎ উন্নত road network airport-এর competitor হওয়ার পাশাপাশি feeder network হিসেবেও কাজ করতে পারে।

প্রয়োজন নতুন করে বাজার বিশ্লেষণ

যশোর বিমানবন্দরের বর্তমান সংকট দেখাচ্ছে, কয়েক বছর আগের passenger-demand assumption দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা যথেষ্ট নয়।

পদ্মা সেতু, নতুন rail connectivity, fuel price, airfare এবং মানুষের travel behaviour—সবকিছুই বদলেছে।

ফলে এখন প্রয়োজন নতুন origin-destination study।

কত মানুষ যশোর অঞ্চল থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার বা অন্যান্য destination-এ যাতায়াত করেন; তাদের কত শতাংশ বিমান ব্যবহার করতে আগ্রহী; কোন fare level-এ demand তৈরি হতে পারে—এসব তথ্য route planning-এর ভিত্তি হতে পারে।

Cargo-র ক্ষেত্রেও একইভাবে commodity volume, destination market, logistics cost এবং cold-chain requirement নিয়ে আলাদা feasibility assessment প্রয়োজন।

‘ফ্লাইট কমেছে’ মানেই বিমানবন্দরের প্রয়োজন শেষ নয়

যশোরে ঢাকা route-এর passenger কমে যাওয়া থেকে বিমানবন্দরটি অপ্রয়োজনীয়—এমন সিদ্ধান্তও যথাযথ হবে না।

Airport infrastructure-এর strategic, emergency, regional connectivity এবং ভবিষ্যৎ economic value থাকতে পারে।

বরং বর্তমান পরিস্থিতি একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে—পরিবহনব্যবস্থা বদলে যাওয়ার পর একটি regional airport-কে কীভাবে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হবে?

ঢাকা-কেন্দ্রিক দুই-একটি passenger flight-এর ওপর নির্ভর না করে নতুন domestic connectivity, cargo logistics এবং সম্ভাব্য international market—সবকিছু মিলিয়ে যশোর বিমানবন্দরের জন্য নতুন commercial strategy প্রয়োজন হতে পারে।

যশোরের সামনে এখন নতুন পরিচয় খোঁজার সময়

একসময় যশোর বিমানবন্দরের বড় শক্তি ছিল দ্রুত ঢাকা পৌঁছানো।

পদ্মা সেতু ও উন্নত স্থল যোগাযোগ সেই সুবিধার মূল্য অনেকটাই বদলে দিয়েছে।

এখন তাই পুরোনো passenger model ফিরিয়ে আনার চেয়ে বিমানবন্দরটির নতুন economic role খুঁজে বের করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারের মতো দূরবর্তী domestic destination, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও মৎস্যপণ্যের air-cargo logistics এবং পর্যাপ্ত বাজার থাকলে ভবিষ্যতে international connectivity—এই তিনটি ক্ষেত্র নিয়ে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা করা যেতে পারে।

তবে প্রতিটি পরিকল্পনার আগে প্রয়োজন বাস্তব passenger ও cargo demand যাচাই।

তা না হলে বড় অবকাঠামো থাকলেও commercial utilisation কম থাকবে। আর সঠিক বাজার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে route ও cargo strategy তৈরি করা গেলে যশোর বিমানবন্দর আবারও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ aviation gateway হিসেবে নতুন ভূমিকা পেতে পারে।

সূত্র: যশোর বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের তথ্য।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক, ১০৯ আরোহী নিয়ে দিল্লিগামী ফ্লাইটের জরুরি

1

ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন সিদ্ধান্ত, একসঙ্গে মিলবে

2

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা ১৭ ধরন

3

বাংলাদেশ-সৌদি বিমান যোগাযোগে নতুন মাইলফলক, এভিয়েশন কূটনীতিতে

4

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ, ক্ষতিগ্রস্ত ১৩৪ ফ্লাইট

5

রেকর্ড মুনাফায় বিমান, ১৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদে বাড়ছে সক্ষম

6

ঢাকা বিমানবন্দরে তিন অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ ৭ জন আ

7

২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা–রিয়াদ–ঢাকা রুটের ফ্লাইট বাতিল করল ইউ

8

বাংলাদেশে সরবরাহ করা জেট ফুয়েলে ভেজালের প্রমাণ মিলল

9

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে বিমানভাড়া বেশি হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ

10

হজ নিবন্ধনে ধীরগতি, কোটা হারানোর শঙ্কা; নতুন সৌদি চুক্তিতে স

11

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাইভ ব্যাগেজ মনিটরিং কার্যক্রম পরিদর্শন

12

৮০ লাখ সক্ষমতায় ১ কোটি ২৬ লাখ যাত্রী, শাহজালালের চাপ কমাতে ১

13

চার্টার্ড ফ্লাইট কী, বাংলাদেশে কীভাবে ভাড়া করবেন—জেনে নিন পু

14

বাণিজ্যিক হেলিকপ্টার সেবায় যাত্রা শুরু করল আকিজ গ্রুপ

15

মাউন্ট এটনার ছাইয়ে টানা পাঁচ দিন বন্ধ ইতালির কাতানিয়া বিমানব

16

২০২৭ সালের মধ্যে ২১ নতুন বোয়িং, বড় সম্প্রসারণে ইউএস-বাংলা

17

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, কারণ অনুসন্ধানে তদন

18

ডাবলিন বিমানবন্দরে রায়ানএয়ার কর্মীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিয

19

জাতীয় দিবসের ছুটিতে ভিয়েতনামে বিমান টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

20