ব্যাংকক–অকল্যান্ড সরাসরি ফ্লাইট ফের চালুর পরিকল্পনা থাই এয়ারওয়েজের
aviation
প্রকাশিত: 29 September 2026, 10:00:47 Am
|অনলাইন সংস্করণ
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
প্রায় ছয় বছর পর ব্যাংকক–অকল্যান্ড সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে থাই এয়ারওয়েজ (Thai Airways)। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যেই থাইল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিয়মিত nonstop passenger service ফিরতে পারে। এর আগে রুটটি ২০২৮ সালে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা থাকলেও দুই দেশের সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর সময়সূচি এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে মার্চ ২০২৭ এখনো চূড়ান্ত launch date নয়। ফ্লাইট শুরুর সময় নির্ভর করবে থাই এয়ারওয়েজের প্রয়োজনীয় long-haul aircraft পাওয়া, অকল্যান্ড বিমানবন্দরে উপযুক্ত slot নিশ্চিত করা এবং এয়ারলাইনটির চূড়ান্ত network planning-এর ওপর।
২০২৮-এর পরিবর্তে লক্ষ্য এখন ২০২৭
ব্যাংকক ও অকল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টি নিয়ে থাইল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।
থাই এয়ারওয়েজের পরিকল্পনায় আগে ২০২৮ সাল লক্ষ্য রাখা হয়েছিল। তবে দুই দেশের মধ্যে পর্যটন ও aviation connectivity বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে রুটটি প্রায় এক বছর এগিয়ে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে চালুর সম্ভাবনা নিয়ে কাজ হচ্ছে।
পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে Bangkok Suvarnabhumi Airport এবং Auckland Airport-এর মধ্যে আবারও সরাসরি যাত্রীবাহী ফ্লাইট চালু হবে।
২০২১ সালে বন্ধ হয়েছিল সরাসরি ফ্লাইট
থাই এয়ারওয়েজ দীর্ঘদিন ব্যাংকক–অকল্যান্ড রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করেছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির সময় আন্তর্জাতিক ভ্রমণে ব্যাপক বিধিনিষেধ এবং এয়ারলাইনটির আর্থিক পুনর্গঠনের মধ্যে ২০২১ সালে অকল্যান্ড রুট বন্ধ হয়ে যায়।
পরবর্তী সময়ে থাই এয়ারওয়েজ আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন করলেও অকল্যান্ডে নিজস্ব nonstop service আর ফিরিয়ে আনেনি।
ফলে বর্তমানে থাইল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে যাতায়াতে অনেক যাত্রীকে অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর বা অন্যান্য এশীয় hub-এর মাধ্যমে connecting flight ব্যবহার করতে হয়।
নতুন উড়োজাহাজ পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে সময়সূচি
ব্যাংকক–অকল্যান্ড একটি দীর্ঘপাল্লার রুট। ফলে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত range ও capacity-সম্পন্ন উড়োজাহাজ প্রয়োজন।
এ কারণেই থাই এয়ারওয়েজের নতুন aircraft delivery schedule রুটটি পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় long-haul aircraft সময়মতো বহরে যুক্ত হলে ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে service চালুর সুযোগ তৈরি হবে। তবে উড়োজাহাজ সরবরাহে বিলম্ব হলে launch schedule-ও পিছিয়ে যেতে পারে।
অর্থাৎ বর্তমান সময়সীমাকে নিশ্চিত উদ্বোধনের তারিখের পরিবর্তে target timeframe হিসেবে দেখা বেশি যথাযথ।
এয়ার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে কোড-শেয়ারের সম্ভাবনা
নতুন পরিকল্পনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে Air New Zealand-এর সঙ্গে codeshare cooperation বাড়ানোর সম্ভাবনা।
দুই এয়ারলাইনই Star Alliance-এর সদস্য। ফলে সরাসরি প্রতিযোগিতার পাশাপাশি commercial partnership ব্যবহার করে দুই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব network একে অপরের যাত্রীদের জন্য আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
Codeshare arrangement হলে একটি এয়ারলাইন পরিচালিত ফ্লাইট অন্য এয়ারলাইনের flight code-এও বিক্রি করা যায়। এতে যাত্রীরা একটি booking-এর মাধ্যমে একাধিক connecting destination-এ যাওয়ার সুবিধা পেতে পারেন।
তবে Bangkok–Auckland রুটে সম্ভাব্য নতুন codeshare-এর কাঠামো ও পরিধি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
অকল্যান্ড থেকে আরও গন্তব্যে সংযোগের সুযোগ
Thai Airways-এর জন্য Auckland route-এর বাণিজ্যিক গুরুত্ব শুধু Bangkok–Auckland point-to-point passenger-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
ব্যাংককে থাই এয়ারওয়েজের hub ব্যবহার করে নিউজিল্যান্ডের যাত্রীরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারতীয় উপমহাদেশ ও ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে সংযোগ নিতে পারবেন।
অন্যদিকে Air New Zealand-এর সঙ্গে সহযোগিতা থাকলে অকল্যান্ড থেকে নিউজিল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ আরও কয়েকটি শহরে connecting traffic নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
একইভাবে থাই এয়ারওয়েজের বিস্তৃত এশীয় ও ইউরোপীয় network থেকে যাত্রীদের ব্যাংকক হয়ে নিউজিল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।
অকল্যান্ডে স্লট পেতে আগাম আলোচনা
রুট পুনরায় চালুর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ operational requirement হচ্ছে Auckland Airport-এ উপযুক্ত arrival ও departure slot পাওয়া।
এ বিষয়ে আগাম আলোচনা শুরু হয়েছে। Long-haul route-এর জন্য শুধু যেকোনো slot পেলেই হয় না; connecting passenger-এর সুবিধা, aircraft utilization এবং Bangkok hub-এর arrival-departure wave-এর সঙ্গে মিল রেখে উপযুক্ত সময় পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
অসুবিধাজনক slot পেলে যাত্রীদের connection time বেড়ে যেতে পারে এবং একটি long-haul aircraft-এর দৈনিক ব্যবহারও কমে যেতে পারে।
তাই aircraft availability-এর পাশাপাশি airport slot নিশ্চিত হওয়াও ২০২৭ সালে রুটটি বাস্তবায়নের অন্যতম শর্ত।
পর্যটনের পাশাপাশি VFR বাজারও গুরুত্বপূর্ণ
থাইল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের সম্ভাব্য বাজার শুধু leisure tourism নয়। দুই দেশের মধ্যে business travel এবং Visiting Friends and Relatives (VFR) traffic-ও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।
একই সঙ্গে Bangkok hub-এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন বাজার থেকে connecting passenger সংগ্রহ করা গেলে route economics আরও শক্তিশালী হতে পারে।
Nonstop service চালু হলে Bangkok–Auckland যাত্রায় মধ্যবর্তী বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ পরিবর্তনের প্রয়োজন কমবে। ফলে connecting itinerary-এর তুলনায় মোট journey time এবং travel complexity কমতে পারে।
থাই এয়ারওয়েজের নেটওয়ার্ক পুনর্গঠনের অংশ
কোভিড-পরবর্তী সময়ে Thai Airways আর্থিক পুনর্গঠন এবং network optimization-এর মধ্য দিয়ে গেছে। এয়ারলাইনটি এখন নতুন aircraft delivery-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে capacity বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে।
অকল্যান্ডের মতো দীর্ঘপাল্লার গন্তব্য ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা তাই শুধু একটি পুরোনো রুট পুনরায় চালু করার বিষয় নয়; এটি এয়ারলাইনটির long-haul network পুনর্গঠনের অংশও হতে পারে।
তবে একটি দীর্ঘপাল্লার রুটের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে passenger demand, connecting traffic, aircraft operating cost, fuel price এবং প্রতিযোগী one-stop service-এর বিপরীতে ভাড়া ও সময়ের সুবিধার ওপর।
সরাসরি যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ব্যাংকক ও অকল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুই দেশের পর্যটন ও ব্যবসায়িক যোগাযোগেও নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বিশেষ করে Bangkok-এর hub connectivity এবং Auckland-এর New Zealand domestic network একসঙ্গে কাজে লাগানো গেলে routeটি শুধু Thailand–New Zealand traffic নয়, আরও বিস্তৃত connecting market ধরতে পারবে।
তবে আপাতত ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে ফ্লাইট চালু একটি পরিকল্পিত লক্ষ্য, নিশ্চিত সূচি নয়। নতুন উড়োজাহাজের সরবরাহ, Auckland Airport-এর slot এবং Thai Airways-এর চূড়ান্ত commercial সিদ্ধান্তের পরই flight frequency, aircraft type এবং নির্দিষ্ট launch date স্পষ্ট হবে।
সূত্র: থাইল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
প্রথমবার আকাশে উড়ল Airbus A350F, শুরু হলো নয় মাসের ফ্লাইট পর
1
সক্ষমতার চেয়ে বেশি ফ্লাইটের চাপ শাহজালালে, শীতকালীন সূচিতে স
2
তৃতীয় টার্মিনাল চুক্তিতে চার শর্তে সম্মতি, ১০০ কিলোমিটারে নত
3
প্রায় এক দশক পর আকাশপথে ফিরছে রায়ানি এয়ার, লক্ষ্য হজ-ওমরাহ য