দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রকল্প খানজাহান আলী বিমানবন্দর আজও চালু হয়নি। প্রায় তিন দশক আগে, ১৯৯৬ সালের ২৭ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাগেরহাটের রামপালের ফয়লা এলাকায় বিমানবন্দরটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তবে জমি অধিগ্রহণ ও প্রাথমিক কাজের পর নানা কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘ সময় স্থবির হয়ে পড়ে।
খুলনা–মোংলা মহাসড়কের পাশে খুলনা, বাগেরহাট ও মোংলা অঞ্চলের যোগাযোগের সুবিধা বিবেচনায় বিমানবন্দরটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শুরুতে এটিকে স্বল্প দূরত্বের (STOL) বিমানবন্দর হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় ৯৭.৫৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে মাটি ভরাটের কাজও সম্পন্ন করা হয়।
পরবর্তী সময়ে বিমানবন্দরটিকে পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক বিমানবন্দরে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১১ সালে প্রকল্প সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালে একনেক প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়। তবে অর্থায়ন, নীতিগত পরিবর্তন এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত নানা কারণে প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানবন্দরটি চালু হলে মোংলা সমুদ্রবন্দর, সুন্দরবন, শিল্পাঞ্চল, পর্যটন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। তাই দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মহল প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন।
মন্তব্য করুন