
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ–রিয়াদ রুটে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দর বন্ধের কারণে মোট ৯টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রভাব পড়েছে ৩ হাজার ১২ জন যাত্রীর ভ্রমণ কার্যক্রমে।
সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) পাওয়া হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৩টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ৩টি ফ্লাইট রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ও রিয়াদ এয়ারওয়েজের তিনটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট রয়েছে তালিকায়।
এর আগে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত আটটি ফ্লাইট এবং ২ হাজার ৯৫১ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। সর্বশেষ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটের সংখ্যা একটি এবং যাত্রীর সংখ্যা ৬১ জন বেড়েছে।
তবে ক্ষতিগ্রস্ত সব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, নাকি কোনো কোনো ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বা বিলম্ব হয়েছে, তা পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সময়মতো সঠিক তথ্য পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মী, ব্যবসায়ী এবং জরুরি প্রয়োজনে ভ্রমণকারীদের জন্য ফ্লাইটের পরিবর্তিত সময়সূচি আগেভাগে জানা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে ফ্লাইট বাতিল, স্থগিত কিংবা সময়সূচি পরিবর্তনের তথ্য যথাসময়ে যাত্রীদের জানাতে বলেছে, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিমানবন্দর যাত্রা ও অন্যান্য ভোগান্তি এড়ানো যায়।
এর আগে বেবিচকের দেওয়া তথ্যে রিয়াদ বিমানবন্দর বাংলাদেশ সময় ১২ অক্টোবর ভোর ৩টা পর্যন্ত বন্ধ থাকার কথা জানানো হয়েছিল। তবে ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে নিশ্চিত কিছু জানানো হয়নি।
এ অবস্থায় রিয়াদগামী এবং রিয়াদ থেকে বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিমানবন্দরের কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর পরিচালন সিদ্ধান্তের ওপর পরবর্তী ফ্লাইটের সময়সূচি নির্ভর করবে।
সূত্র: বেবিচক থেকে প্রাপ্ত ফ্লাইটসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য, ১২ অক্টোবর ২০২৬।