
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ, বগুড়া বিমানবন্দরকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের উপযোগী করার প্রস্তুতি, কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি—দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে একসঙ্গে বেশ কয়েকটি বড় উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছে সরকার।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের বিমানবন্দরগুলোকে শুধু ঢাকা-কেন্দ্রিক না রেখে আঞ্চলিক যোগাযোগের সঙ্গেও যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে যাত্রীসেবা, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে।
সরকারের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশের এভিয়েশন অবকাঠামোর মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।
বর্তমান সরকারের এভিয়েশন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হচ্ছে দীর্ঘদিন বন্ধ অথবা অব্যবহৃত বিমানবন্দরগুলোকে পুনরায় কার্যকর করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এর আগে জানিয়েছেন, নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের আগে বিদ্যমান কিন্তু বন্ধ হয়ে থাকা বিমানবন্দরগুলো কার্যকর করার দিকে সরকার গুরুত্ব দেবে।
বিশেষ করে ঠাকুরগাঁও, বগুড়াসহ বন্ধ ও কম ব্যবহৃত বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য শুধু যাত্রী পরিবহন নয়; দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন, পর্যটন এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির বিকাশেও বিমান যোগাযোগকে কাজে লাগানো।
দেশের বন্ধ ও কম ব্যবহৃত বিমানবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে সরকার বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষার উদ্যোগও নিয়েছে।
এসব বিমানবন্দর পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা সম্ভব হলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান যোগাযোগ শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, সৈয়দপুর ও যশোরকেন্দ্রিক না থেকে আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
উত্তরাঞ্চলের বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে বগুড়া বিমানবন্দর এখন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে বগুড়া থেকে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট চালুর দাবি থাকলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কারণে সেটি বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার বিমানবন্দরটি কার্যকর করার সম্ভাবনা নতুন করে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
বিমানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বগুড়া বিমানবন্দর নিয়ে Feasibility Study চলছে।
বিমানবন্দরটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়েও বেবিচক ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, রানওয়ে, টার্মিনাল, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য কারিগরি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
বগুড়া উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। ফলে সেখানে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হলে বগুড়ার পাশাপাশি আশপাশের জেলার ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীরাও উপকৃত হতে পারেন।
তবে বিমানবন্দরটি চালুর আগে যাত্রী চাহিদা, বাণিজ্যিক কার্যকারিতা, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন ব্যয়ের বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রস্তুতি দ্রুত এগোলেও প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর নির্দিষ্ট সময়কে চূড়ান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
দেশের পর্যটন ও এভিয়েশন—দুই খাতের জন্যই বড় পরিবর্তনের কেন্দ্র হয়ে উঠছে কক্সবাজার বিমানবন্দর।
নতুন টার্মিনাল থেকে ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি এগিয়েছে। এর পরবর্তী ধাপ হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা।
বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক রুট তৈরিতেও কাজ চলছে।
বিশেষ করে কক্সবাজার-পেনাং সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা সামনে এসেছে। মালয়েশিয়ার এয়ারএশিয়া এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে।
কক্সবাজার থেকে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হলে বিদেশি পর্যটকদের ঢাকা হয়ে কক্সবাজারে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা কমবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন শহরের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ তৈরির নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
এটি বাংলাদেশের পর্যটন খাতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতগুলোর একটি কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরতে সরাসরি বিমান যোগাযোগ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য শুধু রানওয়ে ও টার্মিনালই যথেষ্ট নয়। ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং এয়ারলাইন্সের অপারেশনাল সুবিধাও প্রস্তুত রাখতে হবে। ফলে কক্সবাজারের আন্তর্জাতিক যাত্রা দেশের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন অধ্যায় হতে যাচ্ছে।
দেশের এভিয়েশন খাতের সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্পগুলোর একটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল।
বিমানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক কার্যক্রম বা Soft Opening করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
প্রাথমিকভাবে সীমিতসংখ্যক ফ্লাইট দিয়ে কার্যক্রম শুরু করে পর্যায়ক্রমে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তৃতীয় টার্মিনাল পুরোপুরি কার্যকর হলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী ও উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন টার্মিনালের সঙ্গে আধুনিক check-in, baggage handling, boarding, immigration, security এবং passenger processing ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করলেই একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল চালু করা যায় না। এর সঙ্গে Operational Readiness and Airport Transfer বা ORAT, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার সমন্বয় প্রয়োজন।
এসব বিষয় সামনে রেখেই ১৬ ডিসেম্বর সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু করে পরবর্তী সময়ে টার্মিনালটিকে পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে নেওয়ার পরিকল্পনা এগোচ্ছে।
তৃতীয় টার্মিনাল চালুর সঙ্গে যাত্রীসেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিমানমন্ত্রী ইতোমধ্যে লাগেজ সরবরাহে নির্দিষ্ট সময়সীমা নিশ্চিত করার বিষয়ে কথা বলেছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাত্রীর লাগেজ সরবরাহ না করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বা জরিমানার ব্যবস্থাও বিবেচনায় রয়েছে।
বাংলাদেশের বিমানবন্দর নিয়ে যাত্রীদের অন্যতম অভিযোগ হচ্ছে লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা। ফলে নতুন টার্মিনালের সাফল্য শুধু এর দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামোর ওপর নয়, যাত্রীরা বাস্তবে কত দ্রুত এবং নির্বিঘ্নে সেবা পাচ্ছেন—তার ওপরও নির্ভর করবে।
অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত ‘এয়ারপোর্ট ইমারজেন্সী এক্সারসাইজ (ফায়ার)-২০২৬’-এ বিমানমন্ত্রী বিমানবন্দর এলাকায় অনুমোদনহীন ড্রোন উড্ডয়ন বন্ধে Anti-Drone System স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বিমানবন্দর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ফলে বিমানবন্দর ও উড়োজাহাজ চলাচলের এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন নিরাপত্তার পাশাপাশি ফ্লাইট অপারেশনের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট স্ক্যানার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পর্যাপ্ত সংখ্যায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী।
আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) Audit সামনে রেখে বাংলাদেশের এভিয়েশন নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে Compliance নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
দেশের বিমান খাতের নিরাপত্তা আরও সুসংহত করতে National Civil Aviation Security Committee গঠন করা হয়েছে।
বিমানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রোটোকলের ক্ষেত্রে ভিআইপি বা সিআইপি পরিচয়ে কোনো ব্যতিক্রম হওয়া উচিত নয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে একইভাবে নির্ধারিত প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে।
এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেছেন—
“Zero compromise on aviation safety.”
বিমানবন্দর আধুনিকায়নের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা।
অগ্নিকাণ্ড বা উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর প্রথম কয়েক মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বিমানবন্দরের Response Time আরও কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিমানমন্ত্রী।
Fire Service, Airport Operations, Security, Medical Team, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় নিশ্চিত করার নির্দেশনাও এসেছে।
Crisis Management আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে MoU করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
সরকারের সাম্প্রতিক পরিকল্পনাগুলো বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় স্পষ্ট—দেশের এভিয়েশন উন্নয়নকে শুধু শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেন্দ্রিক রাখার পরিবর্তে একটি বিস্তৃত জাতীয় বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা চলছে।
একদিকে রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগে যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বগুড়া ও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা অন্যান্য বিমানবন্দরকে কার্যকর করার সম্ভাবনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এ উদ্যোগগুলো সফল হলে ঢাকা বিমানবন্দরের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমানোর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, পর্যটন ও যোগাযোগে বিমান পরিবহনের ভূমিকা বাড়তে পারে।
পরিকল্পনা বড় হলেও সামনে চ্যালেঞ্জও কম নয়।
বিমানবন্দর চালু বা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়। পর্যাপ্ত যাত্রী চাহিদা, দক্ষ জনবল, এয়ারলাইন্সের আগ্রহ, নিরাপত্তা, আধুনিক প্রযুক্তি, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সক্ষমতা—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সরকারের ঘোষিত উদ্যোগগুলো কত দ্রুত বাস্তব রূপ নেয় এবং যাত্রীরা এর সুফল কতটা পান, সেটিই হবে পরিবর্তনের প্রকৃত মাপকাঠি।
তারপরও দীর্ঘদিন বন্ধ বিমানবন্দর পুনরুজ্জীবনের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বগুড়ায় নতুন সম্ভাবনা, কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল, Anti-Drone System এবং ICAO মানের নিরাপত্তা—একসঙ্গে এতগুলো ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নেওয়া দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন গতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে এখন সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের দিকেই নজর দেশের এভিয়েশন খাতসংশ্লিষ্টদের।
সূত্র: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং প্রকাশিত সরকারি ও সংশ্লিষ্ট তথ্য