
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় অভিনন্দন জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন এবং এভিয়েশন সেফটি ও সিকিউরিটি শক্তিশালী করতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাটি।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর পাঠানো অভিনন্দনপত্রে আইকাও কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট তোশিউকি ওনুমা এবং সেক্রেটারি জেনারেল হুয়ান কার্লোস সালাজার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মিল্লাতকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে তার সাফল্য কামনা করেন আইকাও’র দুই শীর্ষ কর্মকর্তা।
পত্রে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের আরও উন্নয়ন এবং এ খাতে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা জোরদারে বাংলাদেশের সঙ্গে আইকাও পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
আইকাও বৈশ্বিক বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য আন্তর্জাতিক মান ও সুপারিশকৃত অনুশীলন বা Standards and Recommended Practices (SARPs) প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কাজ করে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও টেকসই আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সংস্থাটির অন্যতম লক্ষ্য।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও আইকাও’র সঙ্গে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দরের অবকাঠামো ও অপারেশন আধুনিকায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী এভিয়েশন সেফটি ও সিকিউরিটি শক্তিশালী করার বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে এই সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে দেশের এভিয়েশন খাত সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা বলছে। সম্প্রতি বিমান পরিবহনমন্ত্রীও এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন।
এমন সময়ে আইকাও’র পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের মান, নিরাপত্তা ও সক্ষমতা উন্নয়নের প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।
অভিনন্দনপত্রের শেষাংশে আইকাও কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি জেনারেল নতুন দায়িত্ব পালনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সাফল্য কামনা করেন।
তথ্যসূত্র: ICAO-এর ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অভিনন্দনপত্রসংক্রান্ত প্রকাশিত তথ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট সরকারি তথ্য।