
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একই ফ্লাইটে আসা পাঁচ যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ২৪ লিটার বিদেশি মদ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আটক করা লিকারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের সি-শিফটের কর্মকর্তারা বিশেষ অভিযানে এসব মদ আটক করেন।
কাস্টমস সূত্র জানায়, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মহাপরিচালকের কাছে পাওয়া নির্ভরযোগ্য গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়। তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী Air India-এর AI2183 ফ্লাইটে আগত কয়েকজন যাত্রীর ব্যাগেজে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য থাকার আশঙ্কা ছিল।
এর পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস গোয়েন্দার সি-শিফটের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নেন। ফ্লাইটটি আনুমানিক সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ সংগ্রহের পর গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় সন্দেহভাজনদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে পাঁচ যাত্রীর ব্যাগ থেকে মোট ২৪ লিটার বিদেশি লিকার পাওয়া যায়। এর মধ্যে KASEM-এর ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, MD MAMUN-এর ব্যাগ থেকে ১২ লিটার, TAPAN-এর ব্যাগ থেকে ৩ লিটার, FAYSAL MIAH-এর ব্যাগ থেকে ২ লিটার এবং SAMSUL ALAM PALASH-এর ব্যাগ থেকে ১ লিটার লিকার উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, আটক লিকারগুলো প্রচলিত কাস্টমস বিধি অনুযায়ী জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
একই রুট ও একই ফ্লাইটে একাধিক যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে বারবার বিদেশি মদ উদ্ধারের ঘটনায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব ঘটনার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত কি না, যাত্রীদের ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে মদ আনা হচ্ছে কি না এবং এর পেছনে কারা রয়েছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
বিমানবন্দর দিয়ে অবৈধ পণ্য আনা বন্ধে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল