
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল চালুসহ প্রকল্পের অবশিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এই অতিরিক্ত অর্থ মূলত টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ, নির্মাণকাজের সুপারভিশন এবং বিভিন্ন ভেরিয়েশন কাজে ব্যয় হবে।
‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত)’-এর প্রস্তাবিত তৃতীয় সংশোধিত ডিপিপিতে (DPP) এই ৯০২ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
ব্যয়ের বিভাজন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৬৬৭ কোটি টাকা রাখা হয়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ৩০ মাসের মেইনটেন্যান্স বা রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের জন্য।
এ ছাড়া ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্মাণকাজের সুপারভিশনসংক্রান্ত পরামর্শক সেবা ফি বাবদ আরও ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।
বাকি ২০২ কোটি টাকা রাখা হয়েছে বিভিন্ন ভেরিয়েশন কাজের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে টেকিং ওভার সার্টিফিকেটের (TOC) পরবর্তী ইন্স্যুরেন্স, ফিক্সড গ্যাংওয়ের ভেরিয়েশন, দরজা ও জানালাসংক্রান্ত পরিবর্তন, সেফটি একাডেমি স্থাপন ও পরিচালনা, সুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের সিস্টেম পরিবর্তন এবং আইটি ইক্যুইপমেন্ট পরিবর্তনজনিত কাজ।
এ ছাড়া রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমের ব্যান্ড ভিএইচএফ (VHF) থেকে ইউএইচএফে (UHF) পরিবর্তনসহ আরও কিছু কাজও এই ভেরিয়েশন ব্যয়ের আওতায় রয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে বিগত সরকার একটি ভবন উদ্বোধন করেছিল। কিন্তু এর অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ সম্পন্ন হয়নি। টার্মিনালটি চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।
প্রস্তাবিত তৃতীয় সংশোধিত ডিপিপির ব্যয় বিভাজন অনুযায়ী, এই অর্থের বড় অংশই নতুন করে টার্মিনাল নির্মাণে নয়; বরং ৩০ মাসের মেইনটেন্যান্স, নির্মাণকাজ তদারকির পরামর্শক সেবা এবং বিভিন্ন ভেরিয়েশন কাজে ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সূত্র: বেবিচক