
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
ভারতের কলকাতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের Air Traffic Control (ATC) ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে ভবনটির তৃতীয় তলায় আগুন লাগলেও বিমানবন্দরের দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনায় কেউ হতাহত হননি এবং বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনাতেও কোনো প্রভাব পড়েনি।
আগুন মূল ATC operation পরিচালিত তলায় পৌঁছাতে না পারায় পুরো সময়ই উড়োজাহাজের ওঠানামা এবং air traffic control কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়।
বিমানবন্দর সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভোর প্রায় ৪টার দিকে কর্মীরা ATC ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আগুনের ফুলকি ও ধোঁয়া বের হতে দেখেন।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই airport fire service-কে জানানো হয়। দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন।
আগুনের মাত্রা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে মোট তিনটি fire tender মোতায়েন করা হয়। প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিমানবন্দর সাজাতে ব্যবহৃত decorative lighting-এর বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ATC ভবনসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক সংযোগে short circuit থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা প্রাথমিকভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে এটি এখনো চূড়ান্ত কারণ নয়। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটকেই নিশ্চিতভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ বলা যাচ্ছে না।
ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগুন ATC ভবনের তৃতীয় তলায় সীমাবদ্ধ ছিল।
কলকাতা বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচলের মূল air traffic control কার্যক্রম ভবনটির অষ্টম তলা থেকে পরিচালিত হয়। ফলে অগ্নিকাণ্ডের সময় operational ATC facility সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
এ কারণে controllers-দের সরিয়ে নেওয়া বা ATC operation বিকল্প কোনো facility-তে স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডের সময় বিমানবন্দরের runway operation-এ কোনো বাধা তৈরি হয়নি। নির্ধারিত ফ্লাইটের take-off ও landing স্বাভাবিকভাবেই চলেছে।
ATC service সচল থাকায় arriving এবং departing aircraft-কে প্রয়োজনীয় clearance ও নির্দেশনা দেওয়া অব্যাহত ছিল।
এ ধরনের ঘটনায় ATC-এর গুরুত্বপূর্ণ equipment, communication system অথবা controller working position ক্ষতিগ্রস্ত হলে flight movement সীমিত বা সাময়িকভাবে বন্ধ করার প্রয়োজন হতে পারে। কলকাতার ঘটনায় আগুন operational area থেকে দূরে সীমাবদ্ধ থাকায় সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
একটি ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ operational infrastructure হচ্ছে Air Traffic Control facility।
ATC controller-রা বিমানবন্দরের runway ও taxiway-তে aircraft movement নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি arriving ও departing flight-এর নিরাপদ separation এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিশ্চিত করেন।
এ কারণে ATC building-এ অগ্নিকাণ্ড হলে শুধু ভবনের নিরাপত্তাই নয়, communication, navigation এবং surveillance system সচল রয়েছে কি না—সেটিও দ্রুত নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
কলকাতার ঘটনায় মূল operational floor ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া এবং আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসায় বিমানবন্দরের flight operation অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে electrical connection-এর দিকে নজর দেওয়া হলেও তদন্তে wiring, temporary lighting connection এবং সংশ্লিষ্ট electrical equipment পরীক্ষা করা হতে পারে।
একই সঙ্গে ভবনের fire detection ও suppression ব্যবস্থা এবং অগ্নিকাণ্ডের পর emergency response-ও পর্যালোচনার বিষয় হতে পারে।
ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ATC, terminal, power supply ও communication facility-এর মতো critical infrastructure-এ ছোট অগ্নিকাণ্ডও দ্রুত বড় operational disruption তৈরি করতে পারে। ফলে আগুন সীমিত পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণে এলেও এর প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা ভবিষ্যৎ ঝুঁকি কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কলকাতা বিমানবন্দরের ঘটনায় দ্রুত fire response-এর কারণে আগুন তৃতীয় তলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, ATC কার্যক্রম এবং বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনা পুরো সময় স্বাভাবিক ছিল।
সূত্র: কলকাতা বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম