
এভিয়েশন বার্তা ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক বিমান পরিবহনে ২০২৫ সালে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন যাত্রী ভ্রমণ করেছেন। একই সময়ে নির্ধারিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখে পৌঁছালেও দুর্ঘটনার সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)।
ICAO-এর নিরাপত্তা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনা ৯৫টি থেকে কমে ৮৫টিতে নেমেছে। প্রতি ১০ লাখ ফ্লাইটে দুর্ঘটনার হারও ২.৬ থেকে কমে ২.২ হয়েছে।
আরও উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ২০২৪ সালের ১০টি থেকে কমে ২০২৫ সালে চারটিতে দাঁড়িয়েছে।
তবে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলেও মোট প্রাণহানি ২৯৬ থেকে বেড়ে ৩৮৭ জনে পৌঁছেছে। এর প্রধান কারণ ছিল একটি বড় দুর্ঘটনা, যেখানে ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। অর্থাৎ দুর্ঘটনার frequency কমলেও একটি high-consequence accident সামগ্রিক প্রাণহানির চিত্র উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে দিয়েছে।
ICAO পাঁচটি high-risk occurrence category-কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে—Controlled Flight Into Terrain (CFIT), Loss of Control In-flight (LOC-I), Mid-Air Collision (MAC), Runway Excursion (RE) এবং Runway Incursion (RI)।
এর মধ্যে LOC-I এখনো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ safety concern। ২০২৫ সালে commercial flight-এ runway incursion থেকে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও সাতটি runway excursion ঘটেছে, যার একটি ছিল প্রাণঘাতী।
ICAO-এর হিসাবে সদস্য দেশগুলোর aviation safety oversight কিছুটা উন্নত হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত দক্ষ কারিগরি জনবল, নিয়মিত inspection এবং কার্যকর regulatory oversight নিশ্চিত করা এখনো অনেক দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ।
প্রায় পাঁচ বিলিয়ন যাত্রী ও কোটি কোটি ফ্লাইটের বিপরীতে দুর্ঘটনার হার কমে আসা বৈশ্বিক aviation safety-এর অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়। তবে ICAO-এর তথ্য একই সঙ্গে দেখাচ্ছে, বিরল হলেও বড় ধরনের একটি দুর্ঘটনা এক বছরে মোট প্রাণহানির চিত্র আমূল বদলে দিতে পারে।
সূত্র: International Civil Aviation Organization (ICAO)